পরিকল্পিত ভাবে পাল্টে ফেলা হচ্ছে সীমান্তের জনবিন্যাস ও ক্রমশ পিছু হটছেন আদি বাসিন্দারা। পরিবর্তে অনুপ্রবেশকারীরা জায়গা দখল করে নিচ্ছে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর পিছনে নির্দিষ্ট ছক কাজ করছে বলেও তাঁর মন্তব্য। শাহের কথায়, ‘‘সীমান্ত এলাকায় এ ভাবে জনবিন্যাস পাল্টে যাওয়া দেশের সুরক্ষার জন্য বিপদের।’’ সে কারণে দেশের সীমান্তে ৩০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ এলাকায় যাবতীয় অবৈধ দখলদারি তুলে দিতে সংশ্লিষ্ট জেলাশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন শাহ। স্বরাষ্ট্র সূত্রের বক্তব্য, দেশের পূর্ব সীমান্তে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, অসমে যে ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে জনবিন্যাস ‘পাল্টে গিয়েছে’, তাতে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র।
আজ থেকে দিল্লিতে দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের গ্রামগুলির সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে দু’দিনের ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজেস প্রোগাম’ শুরু হয়েছে। সম্মেলনের উদ্বোধন করে শাহ বলেন, ‘‘এই প্রকল্প মূলত তিনটি বিষয়ের উপরে দাঁড়িয়ে— সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি থেকে জনগণের পালানো রোখা, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা নিশ্চিত করা, দেশের নিরাপত্তা জোরদার করার প্রশ্নে গ্রামগুলিকে কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা।’’
আজ শাহ বলেন, ‘‘স্বাধীনতা দিবসের দিনে প্রধানমন্ত্রী লাল কেল্লাথেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, অনুপ্রবেশ ও জনবিন্যাসের বদল দেশের জন্য চিন্তার। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে জনবিন্যাস পাল্টে যাচ্ছে। পরিকল্পিত ছকের অঙ্গ হিসাবে জনবিন্যাস পাল্টানো হচ্ছে।’’ কোন এলাকায় তা হচ্ছে, সে বিষয়ে মন্তব্য না করলেও, স্বরাষ্ট্র সূত্রের মতে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের জেলাগুলিতে গত তিন দশক ধরে অনুপ্রবেশের ফলে জনবিন্যাস সম্পূর্ণ পাল্টে গিয়েছে। সীমান্ত গ্রামগুলি থেকে আদি বাসিন্দারা চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। যা দেশের নিরাপত্তার জন্য বিপদের।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)