উত্তরপ্রদেশে মৃত্যু হল আরও এক বুথস্তরের আধিকারিক (বিএলও)-এর। হাথরস জেলার বাসিন্দা কমলাকান্ত শর্মা মঙ্গলবার সকালে নিজের বাড়িতেই মারা যান। কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পরিবারের দাবি, মারাত্মক কাজের চাপ ছিল ৪০ বছর বয়সি কমলাকান্তের উপরে।
হাথরসের ব্রাহ্মণপুরি এলাকার বাসিন্দা কমলাকান্ত ছিলেন পেশায় স্কুলশিক্ষক। সহকারী শিক্ষক হিসাবে কাজের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত বিএলও হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার সকালে বাড়িতে বসে চা খেতে খেতে মাথা ঘুরে যায় তাঁর। পরক্ষণেই অচেতন হয়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যেরা। কিন্তু ততক্ষণে মৃত্যু হয়েছিল কমলাকান্তের। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ইতিমধ্যে ওই বিএলও-র দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
আরও পড়ুন:
কমলাকান্তের ছেলে বিনায়কের দাবি, তাঁর বাবা গত কয়েক দিন ধরেই বিএলও হিসাবে কাজ সংক্রান্ত বিষয়ে চাপের মধ্যে ছিলেন। বিএলও-র মৃত্যুর খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালেই তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন জেলাশাসক অতুল বৎস। ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক বলে ব্যাখ্যা করে জেলাশাসক জানান, কমলাকান্তের স্ত্রীকে কোনও চাকরি দেওয়া যায় কি না, তা বিবেচনা করে দেখবে প্রশাসন।
গত কয়েক দিনে উত্তরপ্রদেশে বেশ কয়েক জন বিএলও-র মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে। এই নিয়ে গত তিন দিনে অন্তত তিন জন বিএলও-র মৃত্যু হল উত্তরপ্রদেশে। গত রবিবার বিজনৌর জেলায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় এক মহিলা বিএলও-র। সোমবার মোরাদাবাদে বাড়িতেই ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় এক বিএলও-র দেহ। তিনিও এসআইআর সংক্রান্ত কাজ নিয়ে চাপের মধ্যে ছিলেন বলে দাবি পরিবারের।