পশ্চিম এশিয়ার অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ভারতের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যেও। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ ভারত বিবেচনা করছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আজ সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন। বাংলাদেশের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা এবং মলদ্বীপও একই অনুরোধ করেছে বলে জানান তিনি। বলেন, ভারতের নিজেদের চাহিদা, শোধনাগারের ক্ষমতা এবং ডিজ়ে লের পরিমাণ খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে।
রণধীরের বক্তব্য, নুমালিগড় শোধনাগার থেকে বাংলাদেশে ভারত ডিজেল সরবরাহ করে। ২০০৭ সাল থেকে তা চলছে। সড়ক, রেল ও পাইপলাইনের মাধ্যমে সেই সরবরাহ এখনও অব্যাহত আছে। ২০১৭ সালে দুই দেশের মধ্যে ডিজেল কেনাবেচার চুক্তিও সই হয়। চুক্তিতে সই করে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন। সেই চুক্তি অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ চলছে। প্রসঙ্গত বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে গত কাল সচিবালয়ে দেখা করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় বর্মা। সেই সাক্ষাতের পর দুই দেশের পক্ষ থেকেই গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জানানো হয়, বাংলাদেশ অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে। অন্য দিকে শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বাংলাদেশে বিচারের জন্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে ফেরত পাঠানো হবে কি না বা তাঁদের সঙ্গে কথা বলার জন্য বাংলাদেশি কর্তাদের অনুমতি দেওয়া হবে কি না— জানতে চাওয়া হলে মুখপাত্র শুধু বলেন, এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে, তার বাইরে কিছু বলার নেই।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)