ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। সেই তরুণীকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল দাদার বিরুদ্ধে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি ‘সম্মানরক্ষার্থে’ খুন। তরুণীর মায়ের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার নাম মানবী মিশ্র। রবিবার সকালে বাড়ি থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের হরদোইয়ের। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, পরিবারের অমতে এক যুবককে বিয়ে করেছিলেন মানবী। দিন কয়েক আগে বাপের বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। সেখানেই তাঁর গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মানবীর ডান হাতে ধরা ছিল পিস্তল। মাথার বাঁ দিকে গুলি ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। পরিবারের সদস্যেরা দাবি করেন মানবী আত্মঘাতী হয়েছেন। কিন্তু ডান হাতে পিস্তল আর মাথার বাঁ দিকে গুলি লাগার ঘটনায় সন্দেহ হয় পুলিশের।
তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিয়ের কিছু দিন পর বাপের বাড়িতে চলে আসেন মানবী। সেখানে থেকে ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাঁর গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধারের পর থেকেই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করতে থাকেন বাড়ির লোক এবং আত্মীয়েরা। মানবীর দাদা আশুতোষ মিশ্রকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। তার পরই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।