Advertisement
০৭ ডিসেম্বর ২০২২
Tejashwi Yadav

অফিসারদের হুমকি? বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বীর জামিন খারিজের আবেদন নিয়ে দিল্লির আদালতে সিবিআই

দিল্লির পটিয়ালা হাউস কোর্টের বিচারক অরুণ ভরদ্বাজ ব্যক্তিগত এক লাখ টাকার বন্ডে আইআরসিটিসি দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত তেজস্বী এবং তাঁর মা রাবড়ি দেবীর জামিন মঞ্জুর করেছিলেন।

ফের বিতর্কে তেজস্বী যাদব।

ফের বিতর্কে তেজস্বী যাদব। ফাইল চিত্র।

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ও পটনা শেষ আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৫:২৬
Share: Save:

ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কেটারিং অ্যান্ড টুরিজম কর্পোরেশন (আইআরসিটিসি)-এর দুর্নীতি মামলার তদন্তকারী সিবিআই অফিসারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদের ছেলে তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে তেজস্বীর জামিন খারিজের দাবিতে শনিবার দিল্লির বিশেষ সিবিআই আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে তদন্তকারী সংস্থার তরফে।

Advertisement

দিল্লির পটিয়ালা হাউস কোর্টের বিশেষ বিচারক অরুণ ভরদ্বাজ ব্যক্তিগত এক লাখ টাকার বন্ডে ২০১৮ সালে আইআরসিটিসি দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত তেজস্বী এবং তাঁর মা তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবীর জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। আইআরসিটিসি-র হোটেলের কাজকর্ম চালানোর দায়িত্ব একটি বেসরকারি সংস্থাকে দেওয়া নিয়ে ২০০৬ সালের দুর্নীতির ওই মামলায় অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালু, আইআরসিটিসি-র প্রাক্তন ম্যানেজিং ডিরেক্টর পি কে গয়াল, লালু-ঘনিষ্ঠ আরজেডি নেতা প্রেমচন্দ্র গুপ্তর স্ত্রী সরলা।

রাঁচী ও পুরীতে রেলের দু’টি হোটেল বণ্টনের টেন্ডারে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৭ সালে লালু, রাবড়ি, তেজস্বীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল সিবিআই। অভিযোগ, লালু যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, সে সময় রেলের ওই দু’টি হেরিটেজ হোটেলের টেন্ডার একটি বেসরকারি সংস্থাকে পাইয়ে দিতে সাহায্য করেছিলেন। পরিবর্তে সেই সংস্থার কাছ থেকে দু’একর জমি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে লালুর বিরুদ্ধে।

বিহারে সম্প্রতি বিজেপির সঙ্গে ছেড়ে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের দল জেডি(ইউ) হাত মিলিয়েছে আরজেডি, কংগ্রেস এবং বামেদের সঙ্গে। তার পরেই নতুন করে লালু পরিবারের বিরুদ্ধে সিবিআই ‘সক্রিয়’ হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। শনিবার সিবিআইয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে তেজস্বীর জবাব চেয়ে নোটিস পাঠিয়েছে দিল্লির বিশেষ আদালত।

Advertisement

তেজস্বী যাদবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা নিয়ে অতীতেও জলঘোলা হয়েছে। এই দুর্নীতিকে এক প্রকার হাতিয়ার করেই ২০১৭ সালে তৎকালীন জোটসঙ্গী আরজেডির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন নীতীশ কুমার। এমনকি, বিহারের মহাজোট ভেঙে বেরিয়েও গিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময় বিজেপির হাত ধরে ফের মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ। গত মাসে ফের বিজেপিকে ছেড়ে ‘মহাগঠবন্ধনে’ শামিল হয়েছেন নীতিশ।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.