E-Paper

চিনের সঙ্গে সম্পর্কে জোর, বার্তা মোদীরও

বৈঠক সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘ব্রিকস দেশগুলির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং পদস্থ নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমি আনন্দিত।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ০৭:৫২

— প্রতীকী চিত্র।

ব্রিকস গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির মধ্যে নিরাপত্তা সমঝোতা বাড়াতে গতকালই নয়াদিল্লি পৌঁছেছিলেন চিনের বিদেশমন্ত্রী তথা সে দেশের কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য ওয়াং ই। বৈঠকের ফাঁকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকে বাণিজ্য অর্থনীতি-সহ বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সংলাপ বাড়ানোর ডাক দিলেন তিনি। চিনা বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সীমান্ত সমস্যা পৃথক ভাবে সমাধানের পরিসর তৈরি করে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বাকি দিকগুলি নিয়ে আলোচনা শুরু করে দেওয়া হোক। ওয়াং ই জানিয়েছেন, দু’টি রাষ্ট্র পরস্পরের মূল স্বার্থকে সম্মান করবে, স্পর্শকাতর বিষয়গুলিকে মান্যতা দেবে, সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে যাতে ছায়াপাত না করতে পারে সে ভাবেই সঠিক জায়গায় সীমান্তের বিষয়টিকে রাখবে, সেটাই কাম্য।’

বৈঠক সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘ব্রিকস দেশগুলির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং পদস্থ নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমি আনন্দিত। পরিবর্তনশীল বিশ্ব পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসবাদ, সাইবার নিরাপত্তা এবং নতুন প্রযুক্তি সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় ব্রিকসের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।’ অন্য দিকে, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জায়সওয়াল বলেছেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক দুই নেতা (ডোভাল এবং ই) খতিয়ে দেখেছেন। ক্রমশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য এগোনো দরকার বলেই মনে করেছেন তাঁরা। সব মিলিয়ে আলোচনা গঠনমূলক এবং ইতিবাচক হয়েছে।”

ব্রিকস-এর বৈঠকে ডোভাল বলেন, “বিশ্ব ক্রমশ উথালপাথাল সময়ের দিকে চলেছে। ভূকৌশলগত অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতিতে টান পড়ছে। শুধুমাত্র বিপদের ঝুঁকি বাড়ছে তাই-ই নয়, সংঘাত নিরাসনে যে ব্যবস্থা এবং প্রতিষ্ঠানগুলি ছিল তারাও ক্রমশ অকেজো হয়ে পড়ছে।” এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা এবং ইরানের চুক্তিপত্র এবং হরমুজ় প্রণালী খোলাকে স্বাগত ডানিয়েছেন ডোভাল। তবে পশ্চিম এশিয়া নিয়ে সব মিলিয়ে ‘সতর্কতার সঙ্গে আশাবাদী’ থাকতে চাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ‘‘ব্রিকস একটি বহুপাক্ষিক বিশ্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির গোষ্ঠী হিসেবে তৈরি হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং গ্লোবাল সাউথের আওয়াজ জোরাল করা। বিশ্ব প্রশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নতির সংস্কারও এর লক্ষ্য ছিল। ব্রিকস এমন দেশগুলির একটি বিশেষ জোট যারা শান্তি, অগ্রগতি, উন্নয়ন এবং সহযোগিতায় বিশ্বাসী। আমি খুশি যে এটি দিন দিন আরও শক্তিশালী হচ্ছে।’’ আজ সন্ধ্যায় বিদশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘শক্তি, খাদ্য, গণবণ্টন ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কের হাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি চলে যাওয়া, সাইবার নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলি নিয়ে মতের আদানপ্রদান হয়েছে ব্রিকস-এর কর্তাদের মধ্যে।’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

India-China Narendra Modi

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy