Advertisement
E-Paper

বরাকে মাটিতে পড়ে মৃত্যু শিশুর

৩০ টাকার জন্য রিকশা চালকদের মধ্যে ঝামেলার জেরে ৭ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হল। আজ দুপুরে হাইলাকান্দির ঘটনা। এক পক্ষের রিকশাচালক নুরুল হক নামে অন্য রিকশাচালককে মারধর করার সময় তাঁর কোলে থাকা একরত্তি শিশু মাটিতে পড়ে মারাত্মক আহত হয়। মারপিট থামিয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ মে ২০১৫ ০৩:৩৩

৩০ টাকার জন্য রিকশা চালকদের মধ্যে ঝামেলার জেরে ৭ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হল। আজ দুপুরে হাইলাকান্দির ঘটনা।

এক পক্ষের রিকশাচালক নুরুল হক নামে অন্য রিকশাচালককে মারধর করার সময় তাঁর কোলে থাকা একরত্তি শিশু মাটিতে পড়ে মারাত্মক আহত হয়। মারপিট থামিয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাহাদুরপুর গ্রামের রিকশাচালক নুরুল হক কখনও কখনও দিনপ্রতি ৩০ টাকায় তাঁর রিকশা ভাড়া দিতেন। আলি হুসেনকে তেমন ভাবেই সেটি ভাড়া দিয়েছিলেন। কিন্তু আলি সেই টাকা দিচ্ছিলেন না। এ দিন সকালে নুরুলের সঙ্গে আলির বচসা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, অসুস্থ শিশুকে নিয়ে নুরুল ও তাঁর স্ত্রী রুস্তানা বেগম চিকিৎসকের কাছে যান। ওষুধ কিনে বাড়ি ফেরার সময় পুরাতন হাসপাতালের সামনে আলির সঙ্গে আরও চার রিকশাচালক নরুলের উপর চড়াও হয়। মারপিটের সময় নরুলের কোল থেকে শিশুটি মাটিতে পড়ে যায়। আহত শিশুটিকে তকনই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

হাইলাকান্দি হাসপাতালে দেখা যায়, বিছানায় রাখা শিশুপুত্রের মৃতদেহ জড়িয়ে কাঁদছেন রুস্তানা। তিনি বলেন, ‘‘স্বামীর কোলে ছিল ছেলেটা। ওকে আড়াল করার অনেক চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ও মাটিতে পড়ে যায়।’’

থানায় আলির পাশাপাশি বটলউদ্দিন লস্কর, আবুলউদ্দিন লস্কর এবং ফয়জুল হক লস্করের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা পলাতক। দেহটি ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। জেলার এএসপি রাজমোহন রায় বলেন, ‘‘অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।’’ হাইলাকান্দি রিস্কাচালক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম মিরা ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

মৃতদেহের ডিএনএ পরীক্ষা। করিমগঞ্জের লঙ্গাই নদীতে ভেসে উঠা মৃতদেহ শনাক্ত করা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। আজ করিমগঞ্জ পুলিশ দেহটি শিলচর মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক গবেষণাগারে পাঠিয়েছে। ১৫ মে রাতে করিমগঞ্জ শহরের চরবাজার এলাকার এক বাসিন্দা নিখোঁজ হন। দু’দিন পর লঙ্গাই নদীতে একটি মৃতদেহ ভেসে উঠে। সেটির হাত শিকল দিয়ে বাঁধা ছিল। অভিযোগ ওঠে, ওই ব্যক্তিকে খুন করে জলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। দেহটি চরবাজার থেকে নিখোঁজ অপু সূত্রধরের বলে চিহ্নিত করা যায়নি। জেলার অতিরিক্ত পুলিশসুপার নবীন সিং জানিয়েছেন, দেহটি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হতে পারে।

নদী সাঁতরে ভারতে। নদী সীমান্ত পেরিয়ে অসমে আসা এক বাংলাদেশিকে আটক করা হল। পুলিশ জানায়, গত রাতে নদী সীমান্ত পেরিয়ে করিমগঞ্জের লাতুতে ঢুকে পড়ে লালচান্দ মিঞা। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের পলাশগুড়ির নরসিন্দীতে। বিএসএফের চোখে ধুলো দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিক কী ভাবে ভারত ভূখণ্ডে প্রবেশ করল তা নিয়ে সংশয় ছড়িয়েছে। লালচান্দের উদ্দেশ্ই কি ছিল তা জানতে চায় পুলিশ।

hilakandi hilakandi child death child fell on ground ricksawpuller child
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy