Advertisement
E-Paper

‘ভারতের যুবসমাজ পুতুল নয়’! দিল্লির বিক্ষোভ নিয়ে কটাক্ষ নিতিনের, কী বলছেন ‘ককরোচ’ দলের প্রধান?

শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে সিজেপি-র ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন অনেকে। শুধু তরুণ প্রজন্ম নয়, প্রতিবাদ কর্মসূচির অগ্রভাগে দেখা গিয়েছে অনেক মধ্যবয়সি এবং প্রবীণদেরও।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬ ১০:১৯
(বাঁ দিকে) যন্তরমন্তরে বিক্ষোভে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) যন্তরমন্তরে বিক্ষোভে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রথম রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। সরাসরি উল্লেখ না-করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এই বিক্ষোভকে কটাক্ষ করেছেন। শুধু তা-ই নয়, সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নাম না নিয়ে নিতিনের দাবি, ‘‘বিদেশে বসে থাকা কিছু লোক মনে করেন যে তারা ভারতের যুবসমাজকে চালিত করতে পারেন। তবে এটা ঠিক নয়।’’ বিজেপির নেতার কটাক্ষ, ভারতের যুবসমাজ কখনও কারও হাতের পুতুল নয়।

শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে সিজেপি-র ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন অনেকে। শুধু তরুণ প্রজন্ম নয়, প্রতিবাদ কর্মসূচির অগ্রভাগে দেখা গিয়েছে অনেক মধ্যবয়সি এবং প্রবীণদেরও। নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেই ছিল এই প্রতিবাদ। সেই কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেন নিতিন। তাঁর কথায়, ‘‘ভারতের যুবসমাজ দেশ গঠনের কাজ করতে এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে চায়। কিন্তু কিছু শক্তি দেশের যুবকদের প্রতিষ্ঠানবিরোধী বানানোর চেষ্টা করছে।’’ নিতিন আরও জানান, এই সব শক্তির সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপি ‘ইতিবাচক রাজনীতি’র মাধ্যমে মোকাবিলা করবে। তিনি এ-ও মনে করেন, নেপাল, বাংলাদেশে সরকারবিরোধী যে আন্দোলন হয়েছে, তা এমন যুবসমাজের সঙ্গে কখনই যুক্ত হতে পারে না, যারা শৃঙ্খলার সঙ্গে দেশ গড়ার কথা ভাবে।

সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা আমেরিকার বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তবে ভারতে নিটের মতো পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তার প্রতিবাদে পথে নামার সিদ্ধান্ত নেন অভিজিৎ। অনলাইনে তৈরি তাঁর ‘আরশোলা’ দলের ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে আমেরিকা থেকে উড়ে আসেন তিনি। অনেকেই তাঁর গ্রেফতারির আশঙ্কা করেছিলেন। তবে অভিজিতের স্পষ্ট প্রশ্ন, ‘‘আর কত দিন আমরা ভয়ে ভয়ে থাকব? আমরা মোটেই ভীত নই।’’

শনিবারের কর্মসূচি থেকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। বিকেল ৫টার মধ্যে ধর্মেন্দ্রের পদত্যাগের দাবি ওঠে। যদিও সরকারের তরফে এ ব্যাপারে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে অভিজিৎ জানিয়েছেন, তাঁদের আন্দোলন এখানেই থামছে না। শুধু দিল্লি নয়, গোটা দেশে এই আন্দোলন ছ়ড়িয়ে পড়বে। অভিজিতের কথায়, ‘‘এটা তো শুধু ট্রেলার ছিল।’’ শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছিলেন রামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ তথা পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকও।

NEET Protest Nitin Nabin
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy