E-Paper

সংসদীয় কমিটিতে আপাতত স্থিতাবস্থা কংগ্রেস, তৃণমূলে

জোর বিতর্ক ছিল তৃণমূলের লোকসভা সাংসদ কীর্তি আজাদকে নিয়ে। রাসায়নিক এবং সার মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন কীর্তি আজাদ। কিন্তু তাঁকে ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল দলের অভ্যন্তরে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০২৫ ০৮:৩৪

—প্রতীকী চিত্র।

মাস শেষ হলেই বিহার নির্বাচনে লড়বে কংগ্রেস। আগামী বছরের গোড়ায় পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটে লড়তে হবে তৃণমূলকে। রাজনৈতিক শিবিরের মতে, তার আগে নতুন সংসদীয় কমিটিতে নাম দেওয়া নিয়ে দলের ভিতরে সাংসদদের তরফে কোনও অসন্তোষ চাইছে না এই দুই দল। আর তাই আগে যে সদস্যরা যে কমিটিতে ছিলেন, তাঁদের ঘিরে বিতর্ক তৈরি হলেও, তাঁদের অবস্থানের বিশেষ নড়চড় করতে চাওয়া হল না কংগ্রেস এবং তৃণমূলের পক্ষ থেকে। গত কয়েক মাস ধরে শশী তারুরের বিভিন্ন মন্তব্যে নাজেহাল হচ্ছে কংগ্রেস। কিন্তু দেখা গেল, বিদেশ মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান পদে তাঁকে না সরিয়ে ফের বহাল করা হল। অন্য দিকে, গত বাদল অধিবেশনে তৃণমূলের লোকসভায় ব্যাপক রদবদল করা হলেও, সংসদীয় নতুন স্থায়ী কমিটিতে বড় কোনও পরিবর্তন আনতে চাইলেন না নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

জোর বিতর্ক ছিল তৃণমূলের লোকসভা সাংসদ কীর্তি আজাদকে নিয়ে। রাসায়নিক এবং সার মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন কীর্তি আজাদ। কিন্তু তাঁকে ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল দলের অভ্যন্তরে। দলের দুই সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রর মধ্যে সংঘাত যখন প্রকাশ্যে চলে আসে, সে সময় নির্বাচন কমিশনের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি ভিডিয়ো করে বিরোধীদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ ওঠে দলের ভিতরে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, তিনি আগামী বছরের জন্য ওই মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবেই বহাল রইলেন।

কল্যাণ এবং মহুয়ার ওই সংঘাতকেও সে সময়ে ভাল চোখে দেখেননি তৃণমূল নেতৃত্ব। যার জেরে লোকসভার মুখ্য আহ্বায়কের পদ খোয়াতে হয় কল্যাণকে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, মহুয়া এবং কল্যাণকে নতুন দু’টি সিলেক্ট কমিটিতে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মহুয়ার দাবি মেনে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে তাঁর নাম দিয়েছেন দলীয় নেতৃত্ব, তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রকের স্থায়ী কমিটি থেকে নাম সরিয়ে। এর আগে মহুয়া নিজেই তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রকের সংসদীয় কমিটির সদস্যপদ ছাড়তে চেয়ে স্পিকারের কাছে আবেদন করেছিলেন, তৃণমূলের লোকসভার তৎকালীন নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মারফত। ওই কমিটির চেয়ারম্যান নিশিকান্ত দুবের সঙ্গে মহুয়ার তীব্র বিবাদ প্রকাশ্যে চলে এসেছিল ২০২৩ সালেই। মহুয়ার বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন তোলার অভিযোগ এনেছিলেন নিশিকান্ত। তার জেরে দ্বিতীয় মোদী সরকারের সময়কালে সাংসদ পদ খোয়াতে হয় মহুয়াকে। আজ এই কমিটি বদলের জন্য দলের উদ্যোগে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মহুয়া তাঁর এক্স হ্যান্ডলের পোস্টে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Congress TMC Assembly Elections

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy