E-Paper

মৌলিক অধিকার হোক ভোট, দাবি কংগ্রেসের

কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ আজ যুক্তি দিয়েছেন, ভোটাধিকার মৌলিক অধিকারের আওতায় থাকবে কি না, তা নিয়ে সংবিধান পরিষদে বিতর্ক হয়েছিল। সে সময় সর্দার বল্লভভাই পটেলের মত ছিল, সংবিধানে ভোটাধিকারের প্রসঙ্গ থাকুক।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ০৯:১২
কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ।

কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ। — ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গের বহু ভোটার এসআইআর-এর গেরোয় এ বার ভোট দিতে পারেননি। দেশের মানুষের ভোটাধিকারই বিপদের মুখে— এই যুক্তিতে কংগ্রেস দাবি তুলল, ভোটাধিকারকে সংবিধানের মৌলিক অধিকারের আওতায় আনা হোক। ভোটাধিকার বর্তমানে আইনি বা বিধিবদ্ধ অধিকার।

কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ আজ যুক্তি দিয়েছেন, ভোটাধিকার মৌলিক অধিকারের আওতায় থাকবে কি না, তা নিয়ে সংবিধান পরিষদে বিতর্ক হয়েছিল। সে সময় সর্দার বল্লভভাই পটেলের মত ছিল, সংবিধানে ভোটাধিকারের প্রসঙ্গ থাকুক। কিন্তু তা মৌলিক অধিকার হবে কি না, তা ভবিষ্যতের জন্য তোলা থাক। ভীমরাও অম্বেডকর, বাবু জগজীবন রাম অবশ্য সতর্ক করেছিলেন, ভবিষ্যতে কোনও সরকার নাগরিকদের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নিতে পারে। জয়রামের মতে, এখন ঠিক সেটাই হচ্ছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে জয়রাম বলেন, ‘‘জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি আপস করে ফেলেছে। তাঁর পূর্বসূরির (রাজীব কুমার) সময় পচন ধরেছিল। কিন্তু এই ব্যক্তি পুরো খেলোয়াড়, নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক নন।’’ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশকে অপসারণের প্রস্তাব লোকসভা ও রাজ্যসভায় খারিজ হয়ে যাওয়ার পরে বিরোধীরা ফের নতুন অভিযোগ তুলে তাঁর অপসারণের প্রস্তাবের নোটিস দিয়েছেন। বিরোধী শিবিরের পরিকল্পনা, এই প্রস্তাব খারিজ হলে ফের প্রস্তাব আনা হবে। এটাই চলতে থাকবে।

জয়রাম বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি ‘ডি’-র কথা বলেছিলেন। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট। আমরা তাঁর থেকে জানতে চাই, কত জন অ-ভারতীয়কে ভোটার তালিকায় চিহ্নিত করা হয়েছে, কত জনের নাম মুছে গিয়েছে, কত জনকে তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে!’’ এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বার বার বলেছেন, এ বার কেউ ভোট দিতে না পারলেও তাঁর ভোটাধিকার চলে যাবে না। সেই ভোটাধিকার রক্ষা বেশি জরুরি। কংগ্রেসের মতে, ভোটাধিকার মৌলিক অধিকার হলে এসআইআর-এ যাকে খুশি তালিকা বাদ দেওয়া সহজ হবে না। সেখানে সুপ্রিম কোর্টকে ন্যায় দিতেই হবে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Congress Vote

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy