Advertisement
E-Paper

২০ বছর, ১২৮ জন সাক্ষী! মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস নেতার খুনের মামলায় সব অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করল আদালত

২০০৬ সালের ৩ জুন মুম্বই থেকে ওসমানাবাদের (বর্তমানে ধারাশিব) দিকে যাচ্ছিলেন কংগ্রেস নেতা নিম্বলকর। তাঁর গাড়ি থামিয়ে পর পর গুলি চালানো হয়। ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিলেন নিম্বলকর ও তাঁর চালক।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০২৬ ১৪:৪৬

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস নেতা পবনরাজে নিম্বলকরের খুনের ঘটনায় সব অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করে দিল আদালত। ২০ বছর আগে ২০০৬ সালে খুন হয়েছিলেন নিম্বলকর। রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে তাঁকে এবং তাঁর গাড়ির চালককে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছিল। সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে ২০১১ সাল থেকে সেই মামলা বিচারাধীন ছিল। অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদ্মসিংহ পাটিল। অবশেষে তিনি মামলা থেকে মুক্তি পেলেন।

২০০৬ সালের ৩ জুন মুম্বই থেকে ওসমানাবাদের (বর্তমানে ধারাশিব) দিকে যাচ্ছিলেন নিম্বলকর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন গাড়়ির চালক সামাদ কাজ়ি। অভিযোগ, মাঝপথে তাঁদের গাড়ি থামিয়ে দেওয়া হয়। দু’জন আততায়ী তাঁদের লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালায় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই নিম্বলকরদের মৃত্যু হয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে নবী মুম্বই পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছিল। পরে সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দেয় বম্বে হাই কোর্ট। পুলিশের তদন্তে অনাস্থা প্রকাশ করেছিলেন মৃতের স্ত্রী।

এই ঘটনায় ২০০৯ সালে প্রধান অভিযুক্ত হিসাবে গ্রেফতার করা হয়েছিল নিম্বলকরের তুতো ভাই পদ্মসিংহকে। ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই তিনি জামিন পান। সিবিআই-এর অভিযোগ ছিল, রাজনৈতিক এবং ব্যবসায়িক শত্রুতার কারণে নিম্বলকরকে খুনের মূল পরিকল্পনা করেছিলেন পদ্মসিংহই। এ ছাড়াও লাটুরের ব্যবসায়ী সতীশ মান্দাদে, রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত আবগারি পরিদর্শক মোহন শুক্লা এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন। ধরা পড়েছিল দুই আততায়ীও। অভিযোগ, পদ্মসিংহকে মারার জন্য ৩০ লক্ষ টাকার চুক্তি হয়েছিল। পরশমাল জৈন নামের আর এক অভিযুক্ত রাজসাক্ষী হয়েছিলেন। তাঁর বয়ানও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছিল আদালত।

১৫ বছরের দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায় ১২৮ জন সাক্ষীর কথা শুনেছে আদালত। সাক্ষ্য দিয়েছিলেন অন্না হজারেও। অভিযোগ, তাঁকে মারার সুপারিও দেওয়া হয়েছিল নিম্বলকরের সঙ্গে।

শনিবার সিবিআই-এর বিশেষ আদালত জানায়, হত্যাকাণ্ডের চক্রান্তের ধারা প্রমাণ করা যায়নি। যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি অভিযুক্তদের সপক্ষে। রাজসাক্ষী যিনি হয়েছিলেন, তাঁর বয়ানেও অসঙ্গতি মিলেছে। তাই সকলকে বেকসুর খালাস করা হচ্ছে।

Congress NCP Murder Case Maharashtra CBI
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy