ফের বিতর্কের মুখে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীর জামাই রবার্ট বঢরা।
অভিযোগ, রবার্টের বেনামি সম্পত্তি রয়েছে লন্ডনে। আর সনিয়া গাঁধীর জামাই নাকি সেই সম্পত্তির মালিকানা পেয়েছেন অস্ত্র কেনা-বেচার এক দালালের মাধ্যমে। সংবাদ মাধ্যমে এই খবর চাউর হতেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনীতিক মহলে। সম্ভবত, সেই বিতর্কের আগুনে ছাই দিতেই মঙ্গলবার সনিয়া বলেছেন, ‘‘ওরা (মোদী সরকার) রোজই নানা রকমের মিথ্যে কথা বলে। এ সব চক্রান্ত। হাতে প্রমাণ থাকলে সরকা্র তদন্ত করুক।’’ রবার্টের পাশে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেসও। দলের তরফে বলা হয়েছে, ‘‘এ ভাবে হই চই ফেলে দিয়ে তার ফায়দা লুটতে চাইছে সরকার (কেন্দ্র)।’’
সরকারি সূত্রের খবর, অস্ত্র কেনা-বেচার দালাল সঞ্জয় ভান্ডারি ২০০৯ সালে লন্ডনে ১৯ কোটি টাকা দামে একটি সম্পত্তি কিনেছিলেন কি না, আর তিনি তার ছদ্ম-মালিকানা রবার্টকে দিয়েছিলেন কি না, ইতিমধ্যেই তার তদন্ত শুরু করে দিয়েছে অর্থ মন্ত্রক। এ ব্যাপারে সঞ্জয়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।
রবার্টের বিরুদ্ধে জমি-কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগ অবশ্য এই প্রথম নয়। হরিয়ানায় যখন কংগ্রেস সরকার ক্ষমতাসীন ছিল, অভিযোগ, সেই সময় সনিয়া গাঁধীর জামাই রবার্টকে বেনামে প্রচুর জমির মালিকানা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগেরও তদন্ত করছে অর্থ মন্ত্রক। এ ব্যাপারে শীঘ্রই রবার্টকে তলব করারও কথা রয়েছে অর্থ মন্ত্রকের। রবার্টের আইনজীবী অবশ্য বলেছেন, লন্ডনে তাঁর ‘মক্কেলের নামে বেনামি সম্পত্তি থাকার অভিযোগটি একেবারেই ভুয়ো’।
আরও পড়ুন- মহারাষ্ট্রে সেনা অস্ত্রাগারে আগুন, ২ অফিসার-সহ মৃত ১৭
তবে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে জানানো হয়েছে, লন্ডনে ওই অস্ত্র কেনা-বেচার দালাল সঞ্জয় ভান্ডারির বাড়ি ও অফিস তল্লাশির সময় পাওয়া বিভিন্ন নথিপত্র ও তাঁর ব্যক্তিগত ইমেল পরীক্ষা করে এ ব্যাপারে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। ওই ইমেলগুলো পাঠানো হয়েছিল লন্ডনে সঞ্জয়ের এক আত্মীয় সুমিত চাড্ডাকে।