Advertisement
E-Paper

৩৮ হাজারে নামল দৈনিক সংক্রমণ, সক্রিয় রোগী কমে ৫ লক্ষ ৪১ হাজার

এক দিনে ৫৮ হাজারের বেশি মানুষ সুস্থ হওয়ায় এক দিনে সক্রিয় রোগী কমল ২০ হাজারের বেশি।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০২০ ১০:৪০
বেশ কয়েক দিন ধরেই দেশের দৈনিক মৃত্যু ৫০০-র আশপাশে। গ্রাফিক- শৌভিক দেবনাথ।

বেশ কয়েক দিন ধরেই দেশের দৈনিক মৃত্যু ৫০০-র আশপাশে। গ্রাফিক- শৌভিক দেবনাথ।

দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কম হওয়ার প্রবণতা গত এক সপ্তাহ ধরেই। গত ২৪ ঘণ্টায় তা আরও কমল। ৪৫ থেকে কমে আজ তা ৩৮ হাজার। এক দিনে ৫৮ হাজারের বেশি মানুষ সুস্থ হওয়ায় এক দিনে সক্রিয় রোগী কমল ২০ হাজারের বেশি।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৮ হাজার ৩১০ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত হলেন ৮২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৬২৩ জন। সেখানে প্রথম স্থানে থাকা আমেরিকাতে মোট আক্রান্ত ৯২ লক্ষ ৮৪ হাজার এবং তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে ৫৫ লক্ষ ৬২ হাজার। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলে দৈনিক সংক্রমণ কম আছে। কিন্তু কিছুটা কমার পর আমেরিকাতে তা আবার বাড়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৮ হাজার ৩১০ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত হলেন ৮২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৬২৩ জন। সেখানে প্রথম স্থানে থাকা আমেরিকাতে মোট আক্রান্ত ৯২ লক্ষ ৮৪ হাজার এবং তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে ৫৫ লক্ষ ৬২ হাজার। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলে দৈনিক সংক্রমণ কম আছে। কিন্তু কিছুটা কমার পর আমেরিকাতে তা আবার বাড়েছে।

(গ্রাফের উপর হোভার বা টাচ করলে প্রত্যেক দিনের পরিসংখ্যান দেখতে পাবেন। )

বেশ কয়েক দিন ধরেই দেশের দৈনিক মৃত্যু ৫০০-র আশপাশে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৪৯০। দেশে করোনা প্রাণ কেড়েছে ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৯৭ জনের। এর প্রায় এক তৃতীয়াংশ মৃত্যুই মহারাষ্ট্রে। দ্বিতীয় ও তৃতীয়তে কর্নাটক এবং তামিলনাড়ু। এর পর ক্রমান্বয়ে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি।

বেশ কয়েক দিন ধরেই দেশের দৈনিক মৃত্যু ৫০০-র আশপাশে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৪৯০। দেশে করোনা প্রাণ কেড়েছে ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৯৭ জনের। এর প্রায় এক তৃতীয়াংশ মৃত্যুই মহারাষ্ট্রে। দ্বিতীয় ও তৃতীয়তে কর্নাটক এবং তামিলনাড়ু। এর পর ক্রমান্বয়ে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি।

(গ্রাফের উপর হোভার বা টাচ করলে প্রত্যেক দিনের পরিসংখ্যান দেখতে পাবেন। )

দেশে কোভিড আক্রান্তদের সুস্থ হওয়ার হার শুরু থেকেই আশাব্যঞ্জক। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট ৭৬ লক্ষ ৩ হাজার ১২১ জন করোনার কবল থেকে মুক্ত হয়েছেন। যা গোটা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। দেশের মোট আক্রান্তের প্রায় ৯২ শতাংশই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়েছেন ৫৮ হাজার ৩২৩ জন। গত কয়েক দিনে নতুন আক্রান্তের থেকে সুস্থ বেশি হওয়ায় কমছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। কমতে কমতে তা সাড়ে ৫ লক্ষের কম। এখন দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৫ লক্ষ ৪১ হাজার ৪০৫ জন।

প্রতিদিন যে সংখ্যক মানুষের পরীক্ষা হচ্ছে তার মধ্যে যত শতাংশের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসছে, সেটাকেই বলা হচ্ছে পজিটিভিটি রেট বা সংক্রমণের হার। আজ তা ৩.৬৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ১০ লক্ষ ৪৬ হাজার ২৪৭ জনের।

প্রতিদিন যে সংখ্যক মানুষের পরীক্ষা হচ্ছে তার মধ্যে যত শতাংশের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসছে, সেটাকেই বলা হচ্ছে পজিটিভিটি রেট বা সংক্রমণের হার। আজ তা ৩.৬৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ১০ লক্ষ ৪৬ হাজার ২৪৭ জনের।

(গ্রাফের উপর হোভার বা টাচ করলে প্রত্যেক দিনের পরিসংখ্যান দেখতে পাবেন। চলন্ত গড় কী এবং কেন তা লেখার শেষে আলাদা করে বলা হয়েছে।)

কেরল, দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক সংক্রমণ ৪ হাজারের আশপাশেই। কর্নাটক, তালিনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশে দৈনিক সংক্রমণ গত কয়েকদিনে অনেকটা কমেছে। মহারাষ্ট্রেও তা ৪ হাজারে নেমে এসেছে। মোট আক্রান্তের নিরিখে যদিও শীর্ষে মহারাষ্ট্র। তার পর কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, কেরল, দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গ। ওড়িশার মোট আক্রান্ত ৩ লাখের কাছাকাছি। তেলঙ্গানা, বিহার, অসম, রাজস্থানেও মোট আক্রান্ত ২ লক্ষের বেশি।

পশ্চিমবঙ্গের মোট আক্রান্ত বাড়তে বাড়তে এখন ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৬০৮। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৫৭ জন। করোনা এ রাজ্যে মোট প্রাণ কেড়েছে ৬ হাজার ৯৫৭ জনের।

পশ্চিমবঙ্গের মোট আক্রান্ত বাড়তে বাড়তে এখন ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৬০৮। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৫৭ জন। করোনা এ রাজ্যে মোট প্রাণ কেড়েছে ৬ হাজার ৯৫৭ জনের।

(গ্রাফের উপর হোভার বা টাচ করলে প্রত্যেক দিনের পরিসংখ্যান দেখতে পাবেন। চলন্ত গড় কী এবং কেন তা লেখার শেষে আলাদা করে বলা হয়েছে।)

(চলন্ত গড় বা মুভিং অ্যাভারেজ কী: একটি নির্দিষ্ট দিনে পাঁচ দিনের চলন্ত গড় হল— সেই দিনের সংখ্যা, তার আগের দু’দিনের সংখ্যা এবং তার পরের দু’দিনের সংখ্যার গড়। উদাহরণ হিসেবে— দৈনিক নতুন করোনা সংক্রমণের লেখচিত্রে ১৮ মে-র তথ্য দেখা যেতে পারে। সে দিনের মুভিং অ্যাভারেজ ছিল ৪৯৫৬। কিন্তু সে দিন নতুন আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা ছিল ৫২৬৯। তার আগের দু’দিন ছিল ৩৯৭০ এবং ৪৯৮৭। পরের দুদিনের সংখ্যা ছিল ৪৯৪৩ এবং ৫৬১১। ১৬ থেকে ২০ মে, এই পাঁচ দিনের গড় হল ৪৯৫৬, যা ১৮ মে-র চলন্ত গড়। ঠিক একই ভাবে ১৯ মে-র চলন্ত গড় হল ১৭ থেকে ২১ মে-র আক্রান্তের সংখ্যার গড়। পরিসংখ্যানবিদ্যায় দীর্ঘমেয়াদি গতিপথ সহজ ভাবে বোঝার জন্য এবং স্বল্পমেয়াদি বড় বিচ্যুতি এড়াতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়)

Coronavirus COVID-19
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy