Advertisement
E-Paper

অসমে ‘ডাইনি’ অপবাদে দম্পতিকে পুড়িয়ে মারলেন গ্রামবাসীরা! কার্বি আংলঙের ঘটনায় তদন্তে পুলিশ

পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের নাম গার্দি বিরোওয়া (৪৩) এবং মিরা বিরোওয়া (৩৩)। অভিযোগ, গভীর রাতে প্রথমে ওই দম্পতির বাড়িতে চড়াও হন হামলাকারীরা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে দম্পতিকে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। তার পর দম্পতিকে ভিতরে আটকে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৬:৫৮

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

‘ডাইনি’ অপবাদে দম্পতিকে পুড়িয়ে মারার ঘটনা ঘটল অসমে। মঙ্গলবার রাতে অসমের কার্বি আংলঙে ঘটনাটি ঘটেছে। ডাইনি সন্দেহে এক যুবক ও তাঁর স্ত্রীকে জীবন্ত পুড়়িয়ে মেরেছেন গ্রামবাসীরাই। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে কার্বি আংলঙের হাওড়াঘাট এলাকার ১ নম্বর বেলোগুড়ি মুণ্ডা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের নাম গার্দি বিরোওয়া (৪৩) এবং মীরা বিরোওয়া (৩৩)। অভিযোগ, গভীর রাতে প্রথমে ওই দম্পতির বাড়িতে চড়াও হন হামলাকারীরা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে দম্পতিকে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। তার পর দম্পতিকে ভিতরে আটকে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মৃত্যু হয় দু’জনেরই।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। তদন্ত শুরু হয়েছে। সন্দেহভাজনদের সকলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একজন পুলিশকর্তা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, যে অঞ্চলে অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল, সেখানে বেশির ভাগ মানুষ এখনও নানা কুসংস্কারে বিশ্বাস করেন। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, সেই কুসংস্কারের বশেই খুন করা হয়েছে দম্পতিকে।

উল্লেখ্য, অসমে ডাইনি সন্দেহে হেনস্থা কিংবা খুন রুখতে কড়া আইন রয়েছে। ২০১৫ সালে উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যে চালু হয় অসম ডাইনি শিকার (নিষিদ্ধকরণ, প্রতিরোধ এবং সুরক্ষা) আইন। এই আইনে কাউকে ডাইনি বলে দাগিয়ে দেওয়া কিংবা ডাইনি অপবাদে নির্যাতন বা খুনের মতো ঘটনার ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তি ও জরিমানার নিদান রয়েছে। তবে সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, আইন সত্ত্বেও গত এক দশকে অসমে ডাইনি সন্দেহে ১০০-রও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেই আবহে কার্বি আংলঙের এই ঘটনায় ফের প্রশ্ন উঠল।

Assam witchcraft witch Fire
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy