Advertisement
E-Paper

গরমে পুড়ছে দিল্লি! ভ্যাপসা আর গুমোট গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা, অনুভূত তাপমাত্রা ৫১ ডিগ্রি, বৃষ্টির অপেক্ষায় গোটা রাজধানী

দিল্লিতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকছে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ এতটাই বেশি থাকছে যে অস্বস্তির সূচক চরম মাত্রায় পৌঁছেছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬ ১২:০৬
গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা দিল্লির। ছবি: পিটিআই।

গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা দিল্লির। ছবি: পিটিআই।

বর্ষা কবে আসবে? দিল্লি-সহ দেশের উত্তর এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে এখন এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু দেশে ঢুকে গিয়েছে ঠিকই, কিন্তু আবহবিদেরা বলছেন, এই বায়ু অত্যন্ত দুর্বল। যা দেশের সর্বত্র বর্ষার পক্ষে যথেষ্ট নয়। দেশের পূর্ব, উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ উপদ্বীপীয় অংশে বৃষ্টি হলেও বর্ষণ-সহায়ক মেঘের দেখা নেই উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতে। তার জেরেই দেশের কিছু অংশে যখন বৃষ্টি হচ্ছে, তখন অন্য ছবি ধরা পড়েছে উত্তরাঞ্চলে।

গরমে পুড়ছে দিল্লি-সহ উত্তর ভারত। সপ্তাহান্তে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মৌসুমি বায়ু শক্তিশালী না হলে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হবে কি না, তা ঘিরেও সংশয় তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকছে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ এতটাই বেশি থাকছে যে অস্বস্তির সূচক চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। ফলে অনুভূত তাপমাত্রা (রিয়েল ফিল) ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো মনে হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এই পরিস্থিতি থাকবে বলেও জানিয়েছে মৌসম ভবন।

‘রিয়েল ফিল’ বা অনুভূত তাপমাত্রা শব্দটি আবহাওয়ার একটি বৈজ্ঞানিক পরিভাষা, যার মাধ্যমে বাতাসের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং বাতাসের গতিবেগ—সবকিছু একত্রে মানুষের শরীরে ঠিক কেমন গরম বা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে তা প্রকাশ করা হয়৷ তাপমাত্রার অনুভূতি কতটা হবে, তা নির্ভর করে মূলত দু’টি বিষয়ের উপরে — বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ এবং হাওয়ার গতিবেগ। সাধারণত বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হলে তাপমাত্রার অনুভূতি বেশি হয়। গরমের সময়ে শরীর থেকে ঘাম বার হয়। এই ঘাম বাষ্পীভূত হলে দেহ দ্রুত ঠান্ডা হয়। কিন্তু বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হলে ঘাম বাষ্পীভূত হতে পারে না। ফলে গরম বেশি অনুভূত হয়।

প্রসঙ্গত, দেশে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু তার পরেও বেশির ভাগ অঞ্চলে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে না। কোনও কোনও অঞ্চলে বৃষ্টির দেখাও মিলছে না। কিন্তু কেন এই পরিস্থিতি? বৃহস্পতিবার ইনস্যাট ৩ডিআর উপগ্রহচিত্রে ধরা পড়েছে, দেশের মধ্য, পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের উপরে বর্ষণ-সহায়ক মেঘের পরিমাণ কমে গিয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, উপগ্রহচিত্রে ধরা পড়েছে, বর্ষণ-সহায়ক মেঘ মূলত মধ্যভারত, বঙ্গোপসাগর, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং দক্ষিণ উপদ্বীপে ঘনীভূত রয়েছে। কিন্তু উত্তর এবং পশ্চিম ভারতের আকাশ সম্পূর্ণ পরিষ্কার। ফলে দিল্লি-এনসিআর, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, পঞ্জাব এবং রাজস্থান বৃষ্টি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ৪ জুন থেকে ২৬ জুনের মধ্যে দেশে ৪৫ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

Heat

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy