Advertisement
E-Paper

দিল্লি পুলিশের সোয়াট কমান্ডো হত্যা: মাথায় ডাম্বলের আঘাত স্বামীর, বিয়ে হয় দু’বছর আগে! অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন কাজল

দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির দ্বারকা মোড়ে থাকতেন কাজল এবং অঙ্কুর। তাঁদের দেড় বছরের এক সন্তানও রয়েছে। ২০২৩ সালে বিয়ে হয়েছিল কাজল-অঙ্কুরের।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:০৩
দিল্লি পুলিশের সোয়াট কমান্ডো কাজল চৌধরি। ছবি: সংগৃহীত।

দিল্লি পুলিশের সোয়াট কমান্ডো কাজল চৌধরি। ছবি: সংগৃহীত।

দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল ওয়েপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিস (সোয়াট)-এর মহিলা কমান্ডো কাজল চৌধরির মৃত্যু হল হামলার পাঁচ দিন পর। তাঁকে খুনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী অঙ্কুর চৌধরির বিরুদ্ধে। দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির দ্বারকা মোড়ে থাকতেন কাজল এবং অঙ্কুর। তাঁদের দেড় বছরের এক সন্তানও রয়েছে। ২০২৩ সালে বিয়ে হয়েছিল কাজল-অঙ্কুরের। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন কাজল।

পুলিশ সূত্রে খবর, কাজলের স্বামী প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে কাজ করেন। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, বিয়ের পর থেকেই কাজলের সঙ্গে আর্থিক বিষয়ে অশান্তি শুরু হয় অঙ্কুরের। প্রায় দিনই অশান্তি হত দু’জনের। গত ২২ জানুয়ারি সেই অশান্তি চরমে ওঠে। অভিযোগ, তার পরই তাঁকে ডাম্বল দিয়ে মাথায় বার বার আঘাত করেন অঙ্কুর। শুধু তা-ই নয়, কাজলের মাথা ঘরের দেওয়ালে ঠুকে দেন।

কাজলের ভাই নিখিলও পুলিশে কর্মরত। পার্লামেন্ট থানার কনস্টেবল তিনি। নিখিলের দাবি, তাঁর দিদির উপর যখন হামলা হয়, সেই সময় তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন তিনি। তার কিছু পরেই অঙ্কুর ফোন করে নিখিলকে জানান, কাজলকে মারধর করেছেন তিনি। নিখিলের আরও অভিযোগ, দিদির শাশুড়ি এবং ননদেরা পণের জন্য নানা ভাবে হেনস্থা করতেন। শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হত। গত ২২ জানুয়ারি কাজলের উপর নির্যাতনের খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান বাপের বাড়ির লোকেরা। উত্তরপ্রদেশের গাজ়িয়াবাদের একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল কাজলকে। মঙ্গলবার মৃত্যু হয়েছে তাঁর। অঙ্কুরের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করে কাজলের পরিবার। তার পরই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

SWAT
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy