Advertisement
E-Paper

মার্চেও ঘন কুয়াশায় ঢাকল দিল্লি! রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১৪ ডিগ্রিতে, ছ’বছরের মধ্যে শীতলতম

মৌসম ভবন জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের বৃষ্টি এবং মেঘলা পরিবেশের কারণে রাজধানীতে শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ মার্চ ২০২৬ ১১:১৬
ঘন কুয়াশায় ঢাকল দিল্লি। সঙ্গে চলছে বৃষ্টিও। ছবি: পিটিআই।

ঘন কুয়াশায় ঢাকল দিল্লি। সঙ্গে চলছে বৃষ্টিও। ছবি: পিটিআই।

শীত চলে গিয়েছে অনেক দিন আগেই। এখন মার্চের শেষের দিক। তার পরেও শীতের মরসুমের মতোই অনুভূত হচ্ছে দিল্লিতে। শনিবার সকালে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকল গোটা রাজধানী। আর এই দৃশ্য থেকে বোঝা দায়, এটি ডিসেম্বর না মার্চ মাস। মার্চের শেষের দিকে এসেও আবহাওয়ার এমন খামখেয়ালি চরিত্রে অবাকই হচ্ছেন আবহবিদেরা। শুধু কুয়াশাই নয়, দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও এক ধাক্কায় অনেকটাই নেমেছে।

মৌসম ভবন জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের বৃষ্টি এবং মেঘলা পরিবেশের কারণে রাজধানীতে শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই কম। এই মাসে দিল্লিতে এখনও পর্যন্ত ১৬.২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। শনিবার সকালে বৃষ্টি না হলেও সোমবার থেকে আবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে দিল্লির বিভিন্ন জায়গায়। পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণেই এই ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি চলবে বলেই জানিয়েছে মৌসম ভবন।

গত ১৮ মার্চ থেকে দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বেশির ভাগ অঞ্চলে আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিপুল পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তার সঙ্গে পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে বজ্রগর্ভ মেঘের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে কোথাও হালকা, কোথাও মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ও হচ্ছে।

সাধারণত পশ্চিমি ঝঞ্ঝা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই আসে। ভূমধ্যসাগর থেকে এই ঝঞ্ঝার সৃষ্টি হয়। তার পর সেটি উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে থাকে। যার জেরে তুষারপাত এবং শৈত্যপ্রবাহ হয়। কিন্তু এ বার ছবিটা সম্পূর্ণ আলাদা। সাধারণত শীতের শেষে পশ্চিমি ঝঞ্ঝার দাপট কমে আসে। কিন্তু এ বার মার্চেও সেই ঝঞ্ঝার দাপট দেখা যাচ্ছে। আফগানিস্তান, পাকিস্তান হয়ে ভারত পর্যন্ত দীর্ঘ ১০০০ কিলোমিটারের একটি সরলরেখার মতো নিম্নচাপ বলয় তৈরি হয়েছে, যা কার্যত বিরল। আবহবিদদের ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই আবহাওয়ার অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আবহবিদেরা বলছেন, এই পরিস্থিতির নেপথ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প, যা ভূমধ্যসাগর, কাস্পিয়ান সাগর, কৃষ্ণসাগর এবং পারস্য উপসাগরের উপর জমাট বেঁধেছে। সেই জলীয় বাষ্প যখন উপসাগরীয় অঞ্চল হয়ে ভারতের দিকে এগিয়েছে, তখন আরব সাগর থেকে আরও জলীয় বাষ্প শুষে নিয়ে তা বিশালাকার মেঘবলয়ের সৃষ্টি করেছে। আর সেই মেঘবলয়ের কারণেই গত কয়েক দিন ধরে ভারতের নানা প্রান্তে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়, শিলাবৃষ্টি হচ্ছে।

fog
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy