একই লঞ্চার থেকে পর পর দু’টি প্রলয় ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। দু’টি ক্ষেপণাস্ত্রই লক্ষ্যভেদের পরীক্ষায় সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও বা ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজ়েশন)। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ওড়িশার চাঁদিপুর উপকূলের ‘ডক্টর এপিজে আব্দুল কালাম দ্বীপ’ থেকে প্রলয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। বুধবারের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। ডিআরডিও, ভারতীয় সেনাবাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি।
প্রলয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ১৫০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরের লক্ষ্যে আঘাত করতে পারে। ‘ভূমি থেকে ভূমি’ ক্ষেপণাস্ত্রগুলি উড়ন্ত অবস্থায় অভিমুখ বদলাতেও পারে। ২০২২ সালে ভারতীয় সেনার অস্ত্রাগারে প্রথম শামিল হয়েছিল প্রলয়। তার পর থেকে সেটি উন্নত করার কাজ করছে ডিআরডিও। ৩৫০ থেকে ৭০০ এবং ৫০০ থেকে হাজার কেজির উচ্চ শক্তির বিস্ফোরক ব্যবহার করে প্রলয়। শত্রুপক্ষের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রকে এড়িয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে প্রলয়। ভারতীয় সেনার পাশাপাশি বায়ুসেনাও এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে থাকে। সম্পূর্ণ দেশীয় সরঞ্জাম এবং পদ্ধতিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হয়।
আরও পড়ুন:
২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে চিনা ফৌজের আগ্রাসন এবং গালওয়ান উপত্যকায় রক্তাক্ত সংঘর্ষের পরে এলএসি-তে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে সক্রিয় হয়েছিল ভারতীয় সেনা। সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ২০২২ সালে পূর্ব লাদাখে মোতায়েন করা হয়েছে প্রলয়।