ইপিএফ (এমপ্লয়িস’ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন)-এর টাকা তোলার জন্য অনলাইনে আবেদন করার আট দিনের মধ্যেই নিষ্পত্তি হবে। সংসদে এমনটাই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। ইপিএফও প্রক্রিয়া ডিজিটাল আপগ্রেডেশন হয়েছে। সেই কারণে ইপিএফ দাবি নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার সরলীকরণ হয়েছে। এর ফলে কর্মী নিয়োগকর্তার অনুমোদন ছাড়াই পিএফ তহবিল তোলার আবেদন করতে পারবেন বা ট্রান্সফার করতে পারবেন। তবে ওই কর্মীর কেওয়াইসি নথি দাখিল করা থাকতে হবে।
রাজ্যসভায় প্রশ্নের জবাব লিখিত আকারে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। তাতে জানায়, এখন পিএফ তহবিল তোলার প্রক্রিয়া আগের থেকে অনেক সহজ। কাগজের ফাঁসে আটকে থাকার সম্ভাবনাও কম। অনলাইনেই সম্পন্ন করা যাবে প্রক্রিয়া। যে কর্মীদের ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর (ইউএএন)-এর সঙ্গে কেওয়াইসি লিঙ্ক করা থাকবে, তারা সরাসরি ইপিএফ দাবি জানাতে পারবেন। আগের মতো নিয়োগকারী সংস্থার অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।
কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৫-২৬ আর্থিক বর্ষে এখন পর্যন্ত ৮.৫ কোটি ইপিএফও দাবির নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘ দিন ধরে পড়ে থাকা বিষয়গুলির নিষ্পত্তি হয়েছে। আগে নিয়োগকারী সংস্থার অনুমোদনের প্রয়োজন হত বলে দীর্ঘ দিন দাবি নিষ্পত্তি হত না। কর্মী অবসর নেওয়ার পরে বা চাকরি বদলালে তাঁকে পিএফ তহবিলের টাকার জন্য অপেক্ষা করতে হত। এখন সেই সমস্যা মিটে গিয়েছে বলে জানায় কেন্দ্রীয় সরকার। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, কর্মীরা এখন তাদের নাম, জন্মতারিখ বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিজেরাই আপডেট করতে পারবেন। এর জন্য আগে তাঁদের বার বার নিজের অফিসে দৌড়োতে হত। এখন অনলাইনেই তা করা যাবে।