Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৭ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

মিছিলে লাল দিল্লি, পাশে কংগ্রেস

নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলেন সিপিএমের কৃষক, শ্রমিক, খেতমজুর সংগঠনের লাখো কর্মী। পাশে দাঁড়াল কংগ্রেস। নেট-দুনিয়ায় টুইটারে হ

নিজস্ব সংবাদদাতা
নয়াদিল্লি ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৪:৩৯
Save
Something isn't right! Please refresh.
পথে প্রতিবাদ:  বাম কৃষক-শ্রমিক সংগঠনের মিছিলে ঢেকেছে রাস্তা। বুধবার দিল্লিতে। ছবি: পিটিআই।

পথে প্রতিবাদ: বাম কৃষক-শ্রমিক সংগঠনের মিছিলে ঢেকেছে রাস্তা। বুধবার দিল্লিতে। ছবি: পিটিআই।

Popup Close

নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলেন সিপিএমের কৃষক, শ্রমিক, খেতমজুর সংগঠনের লাখো কর্মী। পাশে দাঁড়াল কংগ্রেস। নেট-দুনিয়ায় টুইটারে হ্যাশট্যাগে স্লোগান উঠল ‘কিসান মজদুর ফাইট ব্যাক’।

রামলীলা ময়দানে কয়েক লক্ষ শ্রমিক-কৃষকের মিছিল তখন পৌঁছে গিয়েছে সংসদ মার্গে। সংসদ মার্গ থানা থেকে কনট প্লেস পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে শুধুই লাল ঝান্ডা। পাশের টলস্টয় মার্গও লাল ঝান্ডায় লাল। শুরু হয়েছে জনসভা। ঠিক সেই সময়ই কংগ্রেসও বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দিল, ‘নায্য ফসলের দাম, ঋণ মকুব ও জমির উপর অধিকারের দাবিতে কৃষকদের এই লড়াইয়ে আমরাও সঙ্গে রয়েছি’।

সাংগঠনিক জোর কমে যাওয়া, পশ্চিমবঙ্গ-ত্রিপুরায় ক্ষমতাচ্যুত হওয়া সত্ত্বেও আজ দিল্লির বুকে ঝড় তুলল সিপিএমের তিন গণ সংগঠন— কৃষক সভা, সিটু ও খেতমজুর সংগঠন। লক্ষ্য ছিল ৩ লক্ষ মানুষের সমাবেশ। বৃষ্টির জন্য বহু মানুষ আটকে পড়ে পৌঁছতে পারেননি।

Advertisement

আরও খবর: রাফাল ভাল, সব মন্ত্রীকে ডেকে বোঝালেন মোদী

বহু গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে দিল্লির সীমানায়। তার পরেও ‘কিসান মজদুর সংঘর্ষ র‌্যালি’তে যোগ দেওয়া মানুষের সংখ্যা ২ লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে বলে সংগঠকদের দাবি। কৃষক সভার সভাপতি অশোক ধাওয়ালে বলেন, ‘‘কেরলের বন্যা, পশ্চিমবঙ্গ-ত্রিপুরায় বাম কর্মীদের উপর হামলা সত্ত্বেও এই সব রাজ্য থেকে বহু মানুষ দিল্লিতে এসেছেন।’’ পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ১৫ হাজার কর্মী ট্রেনে-বাসে বা নিজের খরচে বিমানের টিকিট কেটে দিল্লির সমাবেশে যোগ দিতে এসেছিলেন।

সমাবেশের মূল স্লোগান ছিল, কৃষকদের জন্য ফসলের উচিত দাম, ঋণ মকুব, শ্রমিকদের জন্য ১৮ হাজার টাকা মজুরির মতো ১৫ দফা দাবি। কিন্তু বামপন্থী বিশিষ্ট জনেরাও শ্রমিক-কৃষকদের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় গৌরী লঙ্কেশ, পানসারে, কালবুর্গীদের উপর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির হামলা, সমাজকর্মী-মানবাধিকার কর্মীদের উপর পুলিশি অভিযানের প্রতিবাদের সুরও এসে মিলেছে।

আজকের সভায় কৃষক সভার হান্নান মোল্লা, সিটু-র তপন সেনরা ঘোষণা করেছেন, এখানেই শেষ নয়। বরং শুরু। এর পর নভেম্বরে ফের কৃষকেরা ১০০ কিলোমিটার হেঁটে এসে দিল্লিতে মিছিল করে ঢুকবেন। যুবারাও নামবেন বেকারির প্রতিবাদে। আর বছরের শেষে দু’দিনের শিল্প ধর্মঘট করবে সমস্ত ট্রেড ইউনিয়ন।

ধাওয়ালে বলেন, ‘‘মোদী সরকার দেশের ৯৯.৯ শতাংশের মানুষের বদলে মাত্র ০.১ শতাংশ মানুষের উন্নয়নের নীতি তৈরি করছেন। এই নীতি না বদলালে মানুষ সরকার বদলে দেবেন।’’



Something isn't right! Please refresh.

Advertisement