স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সফরের আগেই জম্মু ও কাশ্মীরের কিশ্তওয়ার ও উধমপুর জেলায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হল তিন জন জইশ-ই-মহম্মদ সদস্যের। যা বড় সাফল্য বলেই মনে করছে বাহিনী।
বুধবার সকালে উধমপুর জেলার একটি গুহাতে আটকে পড়া দুই জইশ কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়েছে। ওই দিন সন্ধ্যাতেই কিশ্তওয়ারে তুষারাবৃত চাতরু অঞ্চলে গুলির লড়াই চালাতে গিয়ে এক জইশ সদস্য নিহত হয়।
বৃহস্পতিবার তিন দিনের সফরে জম্মু-কাশ্মীরে আসছেন শাহ। তার আগে বুধবার বিকেলে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কর্পস, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ যৌথ অভিযান চালায়। জানা গিয়েছে, গোয়েন্দা সূত্রে কিশ্তওয়ারের দুর্গম দিছড়ে অঞ্চলে ফের জঙ্গি আনাগোনার খবর পেয়েই এই অভিযান চালায় বাহিনীয় আর তাতেই আসে সাফল্য। হোয়াইট নাইট কর্পস সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, অভিযান এখনও চালানো হচ্ছে।
বাহিনী সূত্রে খবর, মঙ্গলবার উধমপুরে অভিযান চালানোর সময়ে রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী জুবায়ের একটি গুহায় আটকে ছিল। বাহিনীর সঙ্গে তাদের প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে গুলির লড়াই চলে। সকালে ওই গুহা থেকে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দও পাওয়া যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছে ওই দুই জইশ কমান্ড্যান্ট।
আরও পড়ুন:
অভিযানে একটি এম ফোর কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড-সহ প্রচুর অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। তিন জঙ্গি নিকেশ হলেও এখনও বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালানো হচ্ছে।