Advertisement
E-Paper

বিহারে সরকারি বাংলো কিছুতেই ছাড়ছেন না লালুপত্নী রাবড়ী! নোটিস দেখে বললেন, ‘জোর করে তুলে দেখাক’

পটনার ওই বাংলোয় গত এক দশকের বেশি সময় ধরে থাকছেন রাবড়ীরা। বাংলোটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তাঁর জন্য বরাদ্দ করেছিল নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন বিহারের পূর্বতন জেডিইউ সরকার।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ মে ২০২৬ ১৪:৫১
বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ী দেবী এবং আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদব।

বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ী দেবী এবং আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদব। ছবি: পিটিআই।

বিহারের রাজধানী পটনার ১০, সার্কুলার রোডের সরকারি বাংলো কিছুতেই ছাড়ছেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের পরিবারের সদস্যেরা। লালুপত্নী তথা বিহারের আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ী দেবী জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি কোনও ভাবেই ওই বাংলো থেকে সরবেন না। প্রয়োজনে জোর করে তাঁকে উচ্ছেদ করুক সরকার! কিছু দিন আগে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন সম্রাট চৌধরি। রাবড়ী তাঁকেও কটাক্ষ করেছেন।

পটনার ওই বাংলোয় গত এক দশকের বেশি সময় ধরে থাকছেন রাবড়ীরা। বাংলোটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তাঁর জন্য বরাদ্দ করেছিল নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন বিহারের পূর্বতন জেডিইউ সরকার। গত ২৭ মে বিহার সরকার একটি নির্দেশিকা জারি করে ওই বাংলোটি রাজ্যের বর্তমান মৎস্যমন্ত্রী নন্দকিশোর রামের জন্য বরাদ্দ করে। রাবড়ীকে সরে যেতে বলা হয় ৩৯, হার্ডিং রোডে। রাবড়ী বর্তমানে বিহারের বিধান পরিষদের বিরোধী দলনেত্রী। পদমর্যাদায় ওই সরকারি বাংলো পেয়েছেন তিনি। কিন্তু সেখানে যেতে চাইছেন না।

মন্ত্রীর জন্য ১০, সার্কুলার রোড বরাদ্দ করে রাবড়ীদের উঠে যাওয়ার নির্দেশিকা যে দিন জারি করা হয়েছিল, রাবড়ী বাড়িতে ছিলেন না। নির্দেশিকার কথা শুনেই তিনি ফিরে আসেন। বিমানবন্দর থেকে সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘সম্রাট চৌধরি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন দেখছি। ওঁর সরকার আমাকে জোর করে উচ্ছেদ করুক তো দেখি! আমি বাড়ি খালি করব না।’’

উল্লেখ্য, এর আগে গত নভেম্বর মাসে নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীনই রাবড়ীকে সার্কুলার রোডের বাংলো খালি করতে বলা হয়েছিল। সেই সময় বাংলোটি বরাদ্দ করা হয় তৎকালীন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা বিজয়কুমার সিংহের জন্য। কিন্তু তখনও রাবড়ী বাড়ি ছেড়ে বেরোননি। ফলে বিজয় সেই বাংলোতে থাকতেও পারেননি। এ বার ফের অন্য এক মন্ত্রীর জন্য ওই বাংলো বরাদ্দ করেছে বিহারের সরকার।

সার্কুলার রোডের বাড়িটিতে লালুর সঙ্গেই থাকেন রাবড়ী। তাঁদের পুত্র তথা আরজেডির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট তেজস্বী যাদবও বেশিরভাগ সময় এই বাড়িতে কাটান। প্রচুর পরিমাণে পুলিশ ওই বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয়েছে। রাবড়ীরা শেষ পর্যন্ত পিছু হটেন কি না, সেটাই দেখার।

Rabri Devi Lalu Prasad Yadav Bihar Politics
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy