Advertisement
E-Paper

উত্তরাখণ্ড নিয়ে কোর্টে কংগ্রেস

উত্তরাখণ্ডে রাষ্ট্রপতির শাসন জারির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরীশ রাওয়ত।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৯ মার্চ ২০১৬ ০৪:০৯

উত্তরাখণ্ডে রাষ্ট্রপতির শাসন জারির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরীশ রাওয়ত।

কংগ্রেসের ৯ জন বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে হাত মেলানোয় সঙ্কটে পড়ে হরিশ রাওয়তের সরকার। যার জেরে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হয়। উত্তরাখণ্ড হাইকোর্টে পেশ করা আর্জিতে রাওয়তের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি জানান, সংবিধানের ৩৫৬ নম্বর অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির শাসন জারির পরিস্থিতি আদৌ তৈরি হয়নি।

কংগ্রেসের আর এক আইনজীবী নেতা মণীশ তিওয়ারির মতে, ‘‘রাওয়তকে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য সময় দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। এস আর বোম্মাই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আইনসভায় ভোটাভুটিই সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের একমাত্র পথ।’’ মণীশের প্রশ্ন, ‘‘তা হলে হঠাৎ কেন রাওয়ত সরকারকে ফেলে দিল কেন্দ্র? আসলে অরুণাচলের দু’মাসের মধ্যে আর একটি কংগ্রেসশাসিত রাজ্যে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে বিজেপি।’’ উত্তরাখণ্ড নিয়ে বিজেপিকে তোপ দেগেছেন নীতীশ কুমার।

কংগ্রেসের যুক্তি অবশ্য মানতে রাজি নন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ও আইনজীবী অরুণ জেটলি। ফেসবুকে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি জানিয়েছেন, ব্যয় মঞ্জুরি বিলে বিধানসভার অনুমোদনই আদায় করতে পারেনি রাওয়ত সরকার। ফলে ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যের কোনও অনুমোদিত ব্যয় হিসেবই নেই। সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কিছু হতে পারে না বলে মত জেটলির। তাঁর মতে, এখন কেন্দ্রকে সংবিধানের ৩৫৭ নম্বর অনুচ্ছেদ মেনে রাজ্যের ব্যয় হিসেব অনুমোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। জেটলির মতে, যদি ব্যয় মঞ্জুরি বিল বিধানসভায় খারিজ হয়ে গিয়ে থাকে তবে সরকারের ইস্তফা দেওয়া উচিত। তার বদলে ঘোড়া কেনাবেচা, লোভ দেখানো ও বিধায়ক পদ খারিজের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের চেষ্টা করেছে কংগ্রেস।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy