Advertisement
E-Paper

নামিয়ে রাখলেন ইনসাস, এলএলআর, ছত্তীসগঢ়ে আরও চার মাওবাদী নেতার আত্মসমর্পণ! কারণ জানাল পুলিশ

২০২৫ সালে ১,৫০০ জনেরও বেশি মাওবাদী পুলিশের হাতে ধরা দিয়েছেন ছত্তীসগঢ়ে। বস্তুত, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে সারা দেশ থেকে ‘নকশালবাদ’ নির্মূলের সংকল্প করেছে কেন্দ্র।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:১৪
Maoists Surrender

সুকমায় মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ। ছবি: সংগৃহীত।

ছত্তীসগঢ়ে আবার মাওবাদী নেতাদের আত্মসমর্পণ। এ বার অস্ত্র-সহ প্রশাসনের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন চার মাওবাদী। যাঁদের মধ্যে দু’জন মহিলা।

ছত্তীসগঢ় পুলিশ সূত্রে খবর, ওই চার জনের মাথার দাম রাখা হয়েছিল ৮ লক্ষ টাকা। শুক্রবার সুকমা জেলায় অস্ত্রসমেত সকলে আত্মসমর্পণ করেছেন। পুলিশের দাবি, ধরা দেওয়া মাওবাদীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি ছত্তীসগঢ় সরকার তাঁদের জন্য যে আত্মসমর্পণ এবং পুনর্বাসন ‘নীতি’ তৈরি করেছে, তাতে তাঁরা খুশি হয়েছেন। বস্তার রেঞ্জের আইজি সুন্দররাজ পি বলেন, ‘‘মাওবাদীদের দক্ষিণ বস্তার বিভাগের কিস্তারাম এরিয়া কমিটির সদস্যরা ছত্তীসগঢ়ের ‘পুনা মার্গেম’ (পুনর্বাসন থেকে সামাজিক প্রকল্প) উদ্যোগের টানে আত্মসমর্পণ করেছেন। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকা কমিটির সদস্য সোধি জোগা, যাঁর খোঁজ দিতে পারলে ৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছিল পুলিশ।’’ এ ছাড়াও আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের মধ্যে রয়েছেন মদকাম গঙ্গা ওরফে দাদর গঙ্গা, মাধবী বুধারি এবং সোধি রাজে। এঁদের প্রত্যেকের খোঁজের জন্য ১ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।

ছত্তীসগঢ় পুলিশ জানিয়েছে, আত্মসমর্পণের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের কাছে থাকা অস্ত্র পুলিশের হাতে দিয়েছেন চার জন। তাঁদের কাছে ছিল একটি ইনসাস রাইফেল, সিঙ্গল লোডিং রাইফেল (এসএলআর), পয়েন্ট থ্রি জিরো থ্রি রাইফেল, পয়েন্ট থ্রি ওয়ান ফাইভ রাইফেল এবং বিস্ফোরক।

পুলিশ-প্রশাসনের দাবি, ছত্তীসগঢ়ে মাওবাদী প্রভাবিত অঞ্চলগুলিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা বৃদ্ধির সঙ্গে এলাকার সার্বিক উন্নয়নের ফল মিলছে। সুকমার কিস্তারাম ও গোলাপল্লি এলাকায় নতুন নিরাপত্তা শিবির স্থাপিত হয়েছে। উন্নত সড়ক যোগাযোগ এবং ধারাবাহিক ও কার্যকর মাওবাদী-বিরোধী অভিযানের সাফল্য মিলছে। মাওবাদী কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পাওয়ার মূল কারণ এগুলোই।

নতুন চার আত্মসমর্পণকারী মাওবাদী সরকারি নীতি অনুযায়ী পুনর্বাসন, আর্থিক সহায়তা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। সুকমার পুলিশ সুপার কিরণ চৌহ্বন বলেন, ‘‘এলাকায় সক্রিয় মাওবাদী ক্যাডারদের হিংসার পথ ছাড়ার জন্য আহ্বান করা হয়েছে। সরকার তাঁদের নিরাপত্তা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন প্রদান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শুক্রবার এই আত্মসমর্পণের ঘটনার পর ছত্তীসগঢ়ে ২০০-র বেশি মাওবাদী ক্যাডার অস্ত্র-সহ আত্মসমর্পণ করলেন। গত ১৫ জানুয়ারি বিজাপুর জেলাতেই ৫২ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ছত্তীসগঢ়ে ১,৫০০ জনেরও বেশি মাওবাদী পুলিশের হাতে ধরা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ থেকে ‘নকশালবাদ’ নির্মূল করার জন্য সংকল্প করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

Maoists Sukma police Chhattisgarh
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy