Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৩ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

Himanta Biswa Sarma: বরাকেও ‘মামা’ ডাক, বেজায় খুশি হিমন্তবিশ্ব

গত বছর মূলত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনি কিশোর-কিশোরীদের ‘মামা’ হয়ে ওঠেন৷

নিজস্ব সংবাদদাতা
শিলচর ২৩ জানুয়ারি ২০২২ ০৮:২৪
Save
Something isn't right! Please refresh.
মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা।
ফাইল চিত্র।

Popup Close

তাঁর কোনও বোন নেই, কিন্তু ভাগ্নে-ভাগ্নি প্রচুর৷ এত দিন তাদের শুধু প্রকাশ্য সভায় দেখা যেত৷ স্কুল-কলেজের অনুষ্ঠানেও তারা কয়েক বার "মামা" ডেকে সেলফি তুলেছে৷ দু’-চার জন আবার ‘মামা’র কাছে চিঠি লিখে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে নিজেদের দাবি মিটিয়ে নিয়েছেন৷ এরা সবাই ছিল শিশু-কিশোর৷ কিন্তু আজ শিলচরে আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯-তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা বক্তৃতা করতে উঠতেই ছাত্রছাত্রী-গবেষকেরা 'মামা-মামা’ বলে আওয়াজ তোলেন৷ মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টিকে বেশ উপভোগ করেন৷

গত বছর মূলত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনি কিশোর-কিশোরীদের ‘মামা’ হয়ে ওঠেন৷ যেখানে নির্বাচনী জনসভায় গিয়েছেন, নিজেই খোঁজ করেছেন ভাগ্নে-ভাগ্নিরা কোথায়৷ ভোটের প্রচারে তাঁর জনপ্রিয়তার পারদ বেশ চড়ে৷ কিন্তু মামা-ভাগ্নের সম্পর্ক তো আর ভোটভিত্তিক হতে পারে না! তাই ‘মামা’ সম্বোধনটা রয়েই গিয়েছে৷

তবে এত দিন তা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকাতেই সীমিত ছিল৷ গত বারের বরাক সফরে তাই তাঁকেই ভাগ্নেদের খোঁজ নিতে হয়েছিল৷ হিমন্ত ধরে নিয়েছিলেন, বাঙালিপ্রধান বরাক উপত্যকায় এ ভাবে আপন হওয়া যাবে না৷ এ বার তাই তাঁর ৫৮ মিনিটের বক্তৃতার শুরুতে প্রায় ১০ মিনিট বাংলায় বলেন৷ কিন্তু এ দিন তাঁর ভুল ভাঙে৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-গবেষেকরা ‘মামা’ ডেকে বরাক-ব্রহ্মপুত্র একাকার করে দিলেন৷ দাবি জানালেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের বাইক দিতে হবে৷ মামার বাড়ির আবদার বলে এড়িয়ে যাননি হিমন্ত৷ বললেন, বুলেট না দিলেও আগামী বাজেট প্রস্তাবে তাঁদের জন্য একটা ঘোষণা থাকবে৷

Advertisement

ভুল ভাঙে উপাচার্য দিলীপচন্দ্র নাথেরও৷ প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রী আর কোথা থেকে আসবে, এমনটাই ভেবেছিলেন তিনি৷ কারণ বিশ্ববিদ্যালয় খোলা থাকলেও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ক’জন আর যান! আর এখন কোভিডের সতর্কতায় সমস্ত অফলাইন ক্লাস বাতিল করা হয়েছে৷ এমনকি ছাত্রছাত্রীদের বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে৷ কিন্তু আজ সকালেই হিমন্তের নামে পড়ুয়ারা দল বেঁধে হাজির হন৷

উপাচার্য বলেন, "তাদের এমন আগ্রহ দেখে কাউকে আটকাতে পারিনি৷ সবাইকে ঢুকতে দিতে বলে দিই৷" বন ও পরিবেশ মন্ত্রী পরিমল শুক্লবৈদ্য বললেন, ‘আজ পড়ুয়ারা এসেছেন হিমন্তবিশ্ব শর্মার বক্তৃতা শুনতে৷’’

হিমন্ত তাঁর বক্তৃতার শুরুতে হালকা চালে ভাগ্নেদের মনোযোগ টেনে নিয়েই শুনিয়ে দেন, নরেন্দ্র মোদী এক জন ‘আইকন’ বটে, কিন্তু এক জন মোদী চাইলেই দেশটা পাল্টে দিতে পারবেন না৷ মোদীর মতো আরও ‘আইকন’ প্রয়োজন৷ ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেই তিনি সেই সম্ভাবনা দেখতে পান বলে জানান৷

আবার ‘‘কোনওমতেই মিথ্যে বলতে পারব না’’ বলেই শুনিয়ে দেন, ‘‘আমি তো আর বামপন্থী নই৷’’

হিমন্ত ভাগ্নেদের আগেভাগে বলে রাখেন, ‘‘স্নাতকোত্তর হয়েই সরকারি চাকরির পেছনে পড়ে থেকো না৷ কারণ অসমের বর্তমান বার্ষিক জাতীয় উৎপাদন চার লক্ষ কোটি টাকা৷ একে ভিন্‌ রাজ্যে না পাঠিয়ে অসমে ধরে রাখতে হলে যুবাদের শিল্প-বাণিজ্যে উৎসাহিত হতে হবে৷ রফতানি
করে নিজেদের টাকা ঢেলে দিলে হবে না, উৎপাদন বাড়াতে হবে৷’’



Something isn't right! Please refresh.

আরও পড়ুন

Advertisement