Advertisement
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
Jagdeep Dhankhar

‘আপ আয়ে তো বাহার আয়ে’, রাজ্যসভায় ধনখড়কে দেখে বললেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু

বুধবার থেকে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হয়েছে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসাবে প্রথম বার অধিবেশন পরিচালন করলেন ধনখড়।

উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় এবং তৃণমূলর রাজ্যসভার মুখ্য সচেতক সুখেন্দুশেখর রায়।

উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় এবং তৃণমূলর রাজ্যসভার মুখ্য সচেতক সুখেন্দুশেখর রায়। ফাইল চিত্র।

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি শেষ আপডেট: ০৮ ডিসেম্বর ২০২২ ০২:৫৮
Share: Save:

পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যপাল থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাত বার বার প্রকাশ্যে এসেছে। সেই জগদীপ ধনখড়কে প্রথম বার রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের আসনে দেখে রাজ্যসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক সুখেন্দুশেখর রায় বলে উঠলেন, ‘‘আপ আয়ে তো বাহার আয়ে।’’

Advertisement

বুধবার থেকে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হয়েছে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসাবে প্রথম বার অধিবেশন পরিচালনা করছেন ধনখড়। অধিবেশনের সূচনা-পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তৃতাতেও বার বার এসেছে বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপালের নাম। ধনখড়ের ভূয়সী প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই একে একে বলতে ওঠেন বাকি সাংসদেরা। সুখেন্দু নতুন চেয়ারম্যানকে শুভেচ্ছাবার্তা জানাতে গিয়ে বলেন, ‘‘দেশের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার এবং এই সভার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সর্বভারতীয় তৃণমূলের পক্ষ থেকে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।’’ তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘‘গত চার বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে আপনার কাজ করার ধরন সম্পর্কে আমরা পরিচিত। ব্যক্তিগত ভাবে বললে, সাংবিধানিক ও আইনগত কিছু বিষয়ে আপনার সঙ্গে চিঠি আদানপ্রদানের সুযোগ পেয়েছি।’’ এর পরেই ধনখড়ের উদ্দেশে সুখেন্দু বলেন, ‘‘আপ আয়ে তো বাহার আয়ে। আমরা আশা করব, এই অবস্থানে আপনার উন্নীত হওয়া কক্ষের পরিবেশকে মজবুত করবে।’’ পাশাপাশিই, চেয়ারম্যানের কাছে সুখেন্দুর আর্জি, রাজ্যসভার অধিবেশনে ছোট দলগুলিকে যাতে কথা বলার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

বাংলার রাজ্যপাল পদে থাকার সময় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বার বার সরব হতে দেখা গিয়েছে ধনখড়কে। বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রকে রিপোর্ট পাঠানোর পাশাপাশি প্রকাশ্যে রাজ্যের সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মাঝে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূল ভোটদানে বিরত থাকায় সেই সংঘাতে সাময়িক বিরতি নেমে এসেছি‌ল বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু সম্প্রতি মানবাধিকার কমিশনের অনুষ্ঠানে আচমকাই পশ্চিমবঙ্গের ‘রাজনৈতিক হিংসা’ নিয়ে সমালোচনায় সরব হয়ে পুরনো তিক্ততা উস্কে দিয়েছিলেন ধনখড়। ঘটনাচক্রে, সেই সময়েও ধনখড়ের বিরুদ্ধে পাল্টা সুর চড়িয়েছিলেন সুখেন্দু। তাঁকে ‘বিজেপির সক্রিয় কর্মী’ বলেও কটাক্ষ করেছিলেন।

Advertisement
(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.