Advertisement
E-Paper

মাসে বেতন ৬ হাজার, সেই সরকারি ইঞ্জিনিয়ারের বাড়িতে উদ্ধার ২ কোটি টাকা! চার জেলায় হদিস মিলল বিপুল সম্পত্তিরও

নগদ টাকা এবং বাড়ি বা জমিই নয়, সোনার গয়না, বিলাসবহুল গাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আর কোথায় কোথায় ইঞ্জিনিয়ারের সম্পত্তি রয়েছে, তার তল্লাশি চালাচ্ছে ভিজিল্যান্স।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬ ০৮:৫৬
(বাঁ দিকে) অভিযুক্ত ইঞ্জিনিয়ার। (ডান দিকে) উদ্ধার হওয়া টাকার কিছু অংশ। ছবি: সংগৃহীত।

(বাঁ দিকে) অভিযুক্ত ইঞ্জিনিয়ার। (ডান দিকে) উদ্ধার হওয়া টাকার কিছু অংশ। ছবি: সংগৃহীত।

মাত্র ৬ হাজার টাকা মাসিক বেতনে ১৯৯৯ সালে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেই সরকারি ইঞ্জিনিয়ারের বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেছে ভিজিল্যান্স দফতর। শুধু তা-ই নয়, ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমি এবং গাড়ি-সহ বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিস মিলেছে বলেও ভিজিল্যান্স সূত্রে খবর।

আয়বহির্ভূত সম্পত্তির মামলায় ওড়িশার কন্ধমলের বালিগুড়ায় বৈকুণ্ঠনাথ বেহরা নামে এক জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি-সহ তাঁর বেশ কয়েকটি ঠিকানায় হানা দেন রাজ্য ভিজিল্যান্স দফতরের আধিকারিকেরা। তল্লাশি চালানো হয় ভুবনেশ্বর, বালেশ্বর, জাজপুর এবং বালিগুড়ায়। যে ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক বেতন ৬ হাজার টাকা, তাঁর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিস মিলতেই হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। স্তম্ভিত ভিজিল্যান্স আধিকারিকেরাও। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নগদ ২ কোটি টাকা থেকে শুরু করে দামি ফ্ল্যাট, কয়েক একর জমির উপরে তৈরি চার তলার বাড়ি, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বেনামে বেশ কয়েকটি জমির হদিস মিলেছে।

তদন্তকারী সূত্রে খবর, ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে আয়বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। তার পরই তাঁর বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযানে নামে ভিজিল্যান্স দফতর। তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে জাজপুরের চন্দ্রশেখরপুর, শৈলশ্রী বিহার, কানন বিহার এবং ধর্মশালায়। এ ছাড়াও বারিপদা, ভুবনেশ্বর এবং কন্ধমলেও ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি, অফিসেও তল্লাশি চলে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ারের পাঁচটি বহুতলের হদিস মিলেছে। তার মধ্যে ভুবনেশ্বরের নীলাদ্রি বিহারে ১০ হাজার ৫০০ বর্গফুটের একটি চারতলা বিলাসবহুল বাড়িও রয়েছে। মোট ১৩টি জমির হদিস পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তার মধ্যে সাতটি জমি রয়েছে ভুবনেশ্বরে, বাকিগুলি জাজপুর এবং বারিপদায়।

সূত্রের খবর, ব্যাঙ্কের লকার থেকে ২ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন ঠিকানা থেকে প্রায় তিন লক্ষ টাকাও বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। শুধু নগদ টাকা এবং বাড়ি বা জমিই নয়, সোনার গয়না, বিলাসবহুল গাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আর কোথায় কোথায় ইঞ্জিনিয়ারের সম্পত্তি রয়েছে, তার তল্লাশি চালাচ্ছে ভিজিল্যান্স।

১৯৯৯ সালে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে চাকরিতে যোগ দেন। এ বছরে অ্যাসিসট্যান্ট এগ্‌‌জ়িকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার পদে উন্নীত হন বৈকুণ্ঠনাথ। ইঞ্জিনিয়ারকে জেরা করে বাকি সম্পত্তির হদিস পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

Disproportionate Case
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy