E-Paper

শমীকের দাবি দরজা বন্ধ, তৃণমূল তবুও ভঙ্গুর

শনিবার সন্ধ্যাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছেন। রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি পৌঁছবেন। সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লিতে আসার কথা। সোমবার দুপুরে ইন্ডিয়া-র বৈঠক বসবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬ ০৯:২২
শমীক ভট্টাচার্য।

শমীক ভট্টাচার্য। —ফাইল চিত্র।

সোমবার দিল্লিতে যখন বিরোধীদের ইন্ডিয়া শিবিরের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন, ঠিক সেই সময়েই দিল্লিতে উপস্থিত হবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কারণ সে দিন বিকেলে দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গে চালু করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকারের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি ও ঘোষণা হবে।

শনিবার সন্ধ্যাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছেন। রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি পৌঁছবেন। সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লিতে আসার কথা। সোমবার দুপুরে ইন্ডিয়া-র বৈঠক বসবে। সেই সময় তৃণমূলের একগুচ্ছ সাংসদ লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে দাবি করতে পারেন যে, তাঁরাই আসল তৃণমূল। ঠিক যে ভাবে বিধানসভায় ভাঙন ধরেছে, সেই ভাবেই লোকসভার দলনেতা হিসাবেও তাঁরা অভিষেককে মানেন না বলে দাবি করতে পারেন। তৃণমূলের একাধিক সাংসদের সঙ্গে বিজেপির নেতৃত্বের যোগাযোগ হয়েছে বলে তৃণমূল শিবির থেকেই জানানো হয়েছে। ফলে বিধানসভার পরিষদীয় দলের পরে তৃণমূলের সংসদীয় দলেও ভাঙনের আশঙ্কা জোরালো হয়েছে।

রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য অবশ্য শনিবার দিল্লিতে দাবি করেছেন, বিজেপির দরজা এখন বন্ধ। তাঁর বক্তব্য, ‘‘তৃণমূল ভাঙারই ছিল। তাই ভাঙছে, এবড়োখেবড়ো ভাবে ভাঙছে। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই। মতাদর্শবিহীন, লক্ষ্যভ্রষ্ট একটা জনগোষ্ঠী নিজেকে রাজনৈতিক দল বলে পরিচয় দিলে, তারা এ ভাবেই ভেঙে যায়।” তৃণমূল শিবিরের পাল্টা অভিযোগ, বিজেপি তৃণমূলের বিধায়ক, সাংসদদের বিজেপিতে নিচ্ছে না ঠিকই। কিন্তু ভয় আর লোভ দেখিয়ে তৃণমূলের মধ্যেই আর একটা তৃণমূল তৈরি করছে, যারা আসলে বিজেপির কথায় উঠবে-বসবে। সেই কারণেই বিজেপির শীর্ষ নেতারা নিজে ও তৃণমূলের কিছু আপস করে ফেলা নেতার মাধ্যমে দলে ভাঙন ধরাচ্ছেন।

শমীকের যুক্তি, ‘‘আমরা তো রাজনৈতিক দল। হরিনাম-সঙ্কীর্তনের দল নই, ব্যান্ডপার্টি নই। আমাদের একটা সৌজন্য আছে, রাজনৈতিক রুচিবোধ আছে। দিকভ্রান্ত কিছু মানুষ যদি এ দিক ও দিক ঘোরাঘুরি করেন, তাঁরা যদি ফোন করেন, ফোন ধরাটাও ভদ্রতা। সেটাই স্বাভাবিক। ধরা উচিত। বাড়িতে কেউ এলে বসানো, চা খাওয়ানো উচিত। সেটা আমাদের কেউ করে থাকলে, করছেন। তবে এটা মনে করার কিছু নেই যে, বিজেপি তাঁদের নিয়ে নেবে। দরজা এখন বন্ধ।’’

সূত্রের খবর, মোদী সরকার ফের আসন পুনর্বিন্যাস বিল এবং এক দেশ, এক নির্বাচন বিল পাশ করাতে চাইলে তার মোকাবিলা করা নিয়ে সোমবারের ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে আলোচনা হবে। নিয়মিত ইন্ডিয়া শিবিরের বৈঠক এবং বিভিন্ন রাজ্যে সেই বৈঠক করার পরিকল্পনা নিয়েও কথা হবে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Samik Bhattacharya BJP TMC

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy