Advertisement
E-Paper
WBState_Assembly_Elections_Lead0_04-05-26

বাংলাদেশের জন্য ভারতীয় অনুদান বাড়ল? না কি কমল? বাজেটবরাদ্দ আর বাস্তবের নিরিখে দুই ভিন্নমুখী হিসাব

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক চাপানউতর চলছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় দেড় বছরের সময়কালে বার বার তা প্রকট হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:০০
(বাঁ দিকে) বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

বাংলাদেশের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য কেন্দ্রীয় বাজেটে ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল ভারত। প্রতি বছরই বাজেটে প্রতিবেশী দেশগুলিতে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য কিছু আর্থিক বরাদ্দ ঘোষণা করে রাখে ভারত। এ বারও তা-ই করা হয়েছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি বরাদ্দ করা হয়েছে ভুটান, নেপাল, আফগানিস্তান, মায়ানমার-সহ বিভিন্ন দেশের জন্য।

গত বছরের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য প্রাথমিক ভাবে ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল ভারত সরকার। তবে কূটনৈতিক টানাপড়েনের মাঝে সংশোধিত হয়ে তা ৩৪ কোটি ৪৮ লক্ষ টাকায় নেমে আসে। অর্থাৎ, বাজেটে যা ঘোষণা হয়েছিল, তার এক তৃতীয়াংশও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ব্যয় হয়নি ভারতের। এ অবস্থায় নতুন বাজেটে বাংলাদেশের জন্য ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করল ভারত।

পরিসংখ্যানের হিসাবে, গত বছরের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য যে পরিমাণ বরাদ্দ করা হয়েছিল, তা এ বছর অর্ধেকে নেমে এসেছে। আবার বাস্তবে কত ব্যয় হয়েছে, তার নিরিখে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ বেড়েছে প্রায় ৭৪ শতাংশ বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে নতুন বাজেটে।

যদিও বাজেটে ঘোষিত বরাদ্দ কখনও চূড়ান্ত নয়। পরবর্তী সময়ে এই হিসাব পরিবর্তিত হয়। বাজেটে যা ঘোষণা হচ্ছে, বাস্তবে তার চেয়ে ব্যয় বৃদ্ধিও পেতে পারে, কমতেও পারে। যেমন গত বছরই ইরানের চাবাহার বন্দরের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছি বাজেটে। পরে সংশোধিত হয়ে তা ৪০০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। আবার ভুটানকে সাহায্যের জন্য ২,১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। পরে ব্যয় হয়েছিল ১৯৫০ কোটি টাকা।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক চাপানউতর চলছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় দেড় বছরের সময়কালে বার বার তা প্রকট হয়েছে। এর পরেও পড়শি দেশের উন্নয়নের জন্য অনুদান বন্ধ করেনি ভারত। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য ১২০ কোটি টাকার অনুদান ঘোষণা করা হয়েছিল। বস্তুত, এই অর্থবর্ষেই বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতন হয়। তার পরে ২০২৫-২৬ সালের অর্থবর্ষেও বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দে কোনও কাটছাঁট করেনি ভারত। টানাপড়েনের মাঝে গত বছরও ১২০ কোটিই বরাদ্দ হয়েছিল বাংলাদেশের জন্য। এ বারের বাজেটে ঢাকার জন্য বরাদ্দ হল ৬০ কোটি টাকা।

গত বছরের মতো এ বছরও সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে ভুটানের জন্য। ভুটানের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২,২৮৮ কোটি টাকা। এ ছাড়া নেপালের জন্য ৮০০ কোটি, মলদ্বীপ এবং মরিশাসের জন্য ৫৫০ কোটি, শ্রীলঙ্কার জন্য ৪০০ কোটি, মায়ানমারের জন্য ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বাজেটে। দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলির জন্য মোট বরাদ্দ হয়েছে ১২০ কোটি টাকা। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে আফগানিস্তানের জন্য গত বছরের তুলনায় বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে ভারত। গত বছর ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল বাংলাদেশের জন্য। এ বছরে তা বৃদ্ধি করে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

সংক্ষেপে
  • ১ এপ্রিল থেকে চালু হতে চলেছে নতুন আয়কর আইন। বাজেট পেশের সময় জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। নির্মলা জানালেন, নতুন আয়কর আইনে ৩১ জুলাই পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাবে।
  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি চাকরির উপর কতটা প্রভাব ফেলছে, তার মূল্যায়ন করতে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি তৈরি করা হচ্ছে। বাজেটে জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।
  • নির্মলা জানিয়েছেন, তিনটি ‘অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদ’ তৈরি হবে দেশে। সারা দেশে ১৬ হাজার নতুন সেকেন্ডারি স্কুল তৈরি হবে। প্রতি জেলায় তৈরি হবে একটি করে মহিলাদের হস্টেল।
Bangladesh dhaka Narendra Modi Muhammad Yunus
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy