Advertisement
E-Paper

দেশীয় প্রযুক্তিতে আত্মঘাতী ড্রোন ‘শেষনাগ ১৫০’ বানিয়ে ফেলল ভারত! কতটা ঘাতক এই সমরাস্ত্র?

আধুনিক যুদ্ধে হামলাকারী ড্রোনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। অত্যন্ত কম খরচে তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এই ধরনের ড্রোনের চাহিদাও বাড়ছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ ০৯:১২
বেঙ্গালুরুতে তৈরি হচ্ছে ঘাত ড্রোন শেষনাগ ১৫০। ছবি: সংগৃহীত।

বেঙ্গালুরুতে তৈরি হচ্ছে ঘাত ড্রোন শেষনাগ ১৫০। ছবি: সংগৃহীত।

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে ইরানের যখন সামরিক সংঘাত চলছে, সেই সময় ভারত দেশীয় প্রযুক্তিতে বানিয়ে ফেলল সস্তার আত্মঘাতী ড্রোন। নাম দেওয়া হয়েছে ‘শেষনাগ ১৫০’। আধুনিক যুদ্ধে হামলাকারী ড্রোনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তা সে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ হোক বা পশ্চিম এশিয়ার এই সামরিক সংঘাত। প্রসঙ্গত, সস্তার আত্মঘাতী ড্রোন প্রথম তৈরি করেছিল ইরান। শাহেদ ১৩৬। অত্যন্ত ঘাতক এই ড্রোন আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করছে ইরান। ইরানের সেই ড্রোনকেই নকল করে সম্প্রতি আমেরিকাও বানিয়ে ফেলে ‘লুকাস’ ড্রোন। ইরানের থেকে ‘ধার’ নেওয়া অস্ত্র নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধেই কাজে লাগাচ্ছে তারা।

আধুনিক যুদ্ধে হামলাকারী ড্রোনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আর অত্যন্ত কম খরচে তৈরি হওয়ায় এই ধরনের ড্রোনের আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে চাহিদাও বাড়ছে। সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা মাথার রেখে এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে হামলাকারী ড্রোনের ব্যবহার আরও বাড়ানোর চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে ভারত। বিশেষ করে সিঁদুর অভিযানের পর থেকেই সামরিক সংঘাতে ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি ঘাতক ড্রোন নিয়ে কাজ শুরু করেছে ভারত। তার মধ্যে একটি হল, শেষনাগ ১৫০। যা দেশের অস্ত্রভান্ডারে এক নতুন সংযোজন এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই আত্মঘাতী ড্রোনের পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। তবে চূড়ান্ত পরীক্ষা বাকি বলে সূত্রের খবর।

বেঙ্গালুরুর প্রতিরক্ষা সংস্থা নিউস্পেস রিসার্চ টেকনোলজিস (এনআরটি) এই ড্রোন নির্মাণ করেছে। এক বছর আগে ড্রোনের পরীক্ষাও করা হয়। সিঁদুর অভিযানে এই সংস্থারই অন্য হামলাকারী ড্রোন ব্যবহার করেছিল সেনা। এ বার আরও দূরপাল্লার ড্রোন নির্মাণের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে আত্মঘাতী ‘সোয়ার্ম ড্রোন’। শেষনাগ ১৫০-কেও সেই ভাবে তৈরি করা হয়েছে। ঝাঁকে ঝাঁকে হামলা চালানোয় অত্যন্ত দক্ষ এই ড্রোন। একসঙ্গে হামলা চালিয়ে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিতে পারে। শুধু তা-ই নয়, প্রতিপক্ষের রেডারেও ধরা পড়বে না এই ড্রোনের গতিবিধি। ১০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা বানাতে পারে এই ড্রোন। একবারে ৫ ঘণ্টা উড়তে পারে শেষনাগ ১৫০। যে জায়গাকে নিশানা বানানো হবে, সেই জায়গার উপরে চক্কর কাটবে। প্রয়োজনে হামলাও করবে। এই ড্রোন ২৫ থেকে ৪০ কেজি বিস্ফোরক বহন করতে পারে। শেষনাগ ১৫০-কে আরও ঘাতক করে তোলার কাজ চলছে।

India
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy