ভারতের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মাঝারি ওজনের সামরিক পরিবহণ বিমান উৎপাদনে সক্রিয় হয়েছে ব্রাজিলের বিমান নির্মাতা সংস্থা ‘এমব্রেয়ার ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি’। ইতিমধ্যেই তাদের তরফে কেসি-৩৯০ বিমান নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতি কেন্দ্র (ম্যানুফ্যাকচার, মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল বা এমআরও) হাব গড়ে তোলার জন্য প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর।
এমব্রেয়ারের পশ্চিম এশিয়া এবং এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ‘সেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট’ বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট কায়তানো স্পুলদারো নেটো এ সংক্রান্ত আলোচনার কথা জানিয়ে বলেন, ‘‘ভারতীয় বায়ুসেনার চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তাগুলি আমরাই সবচেয়ে ভালো ভাবে সবচেয়ে সস্তায় পূরণ করতে পারব। কারণ, আমাদের বিমানটি একুশ শতকের সর্বাধুনিক নকশায় তৈরি করা হয়েছে।’’ ‘দ্য প্রিন্ট’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্পুলদারো জানিয়েছেন সমগোত্রের অন্য বিমানের তুলনায় কেসি-৩৯০ দামেও সস্তা।
গত দু’দশকে আমেরিকার লকহিড মার্টিন সংস্থার সি-১৩০জে হারকিউলিস মাঝারি সামরিক পরিবহণ বিমান এবং বোয়িং সংস্থার সি-১৭ গ্লোবমাস্টারের মতো ভারী সামরিক পরিবহণ বিমান কিনেছে ভারত। স্পেনের বিমান নির্মাতা সংস্থা ‘এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস’-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে গুজরাতের বরোদায় ‘টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেড’ তৈরি করেছে সি-২৯৫ মাঝারি সামরিক পরিবহণ বিমান নির্মাণ কারখানা। এ বার বায়ুসেনা ১৮-৩০ টন ‘পে-লোড’ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিমানের সন্ধান করছে। হারকিউলিসের ‘পে-লোড’ ক্ষমতা ১৯ টন। কেসি-৩৯০-এর ২৬ টন। প্রকাশিত খবরে দাবি, বরাত পাওয়ার দৌড়ে রয়েছে ‘এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস’-এর তৈরি ৩৭ টন পে-লোড ক্ষমতা সম্পন্ন এ-৪০০এম সামরিক পরিবহণ বিমানও।