E-Paper

হাওড়া-মুম্বই লাইনে ভিড় কমবে, ট্রেন পরিষ্কারেরও আশ্বাস

গোটা প্রকল্পে ১৬টি বড় মাপের ও ২১৮টি ছোট আকারের সেতু থাকছে। প্রকল্পের মোট খরচ ধরা হয়েছে ১০,১৫৪ কোটি টাকা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৩
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

হাওড়া-মুম্বই লাইনের ভিড় কমাতে উদ্যোগী হল রেল মন্ত্রক। গত কাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে মহারাষ্ট্রের কাসারা ও মানমাডের মধ্যে তৃতীয় ও চতুর্থ লাইনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে অতি ব্যস্ত ওই লাইনের ভিড় যেমন কমবে, তেমনই বাঁচবে সময়।

রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব আজ জানিয়েছেন, মুম্বই-ভুসাবল করিডরের অন্তর্গত কাসারা-মানমাড অংশে ট্রেন চলাচলের ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি, প্রায় ১৩৮ শতাংশ। সেই চাপ কমাতেই ওই ১৩১ কিলোমিটার অংশে তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন বসানো হচ্ছে। এর ফলে হাওড়া থেকে মুম্বইগামী ট্রেন আরও দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছবে। ফি বছর প্রায় পণ্য পরিবহণ বাড়বে ৪.৬ কোটি টন। ওই অংশে পাহাড় থাকায় এত দিন ওই ট্রেনকে টেনে নিতে একটি বাড়তি ইঞ্জিনের প্রয়োজন হত। সময়ও বেশি লাগত। কিন্তু নতুন প্রকল্পে সরাসরি পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে পাঁচটি সুড়ঙ্গ খনন করা হবে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সুড়ঙ্গটির দৈর্ঘ্য হবে ২৪ কিলোমিটার।

গোটা প্রকল্পে ১৬টি বড় মাপের ও ২১৮টি ছোট আকারের সেতু থাকছে। প্রকল্পের মোট খরচ ধরা হয়েছে ১০,১৫৪ কোটি টাকা। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ওই প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। মন্ত্রক জানিয়েছে, ওই প্রকল্পের ফলে প্রতি বছর ৫৪ কোটি কিলোগ্রাম কার্বন-ডাই-অক্সাইড কম নিঃসরণ হবে। যা ২.২ কোটি গাছ রোপণকরার সমান।

কামরা পরিচ্ছন্ন রাখা রেলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। রাজধানী বা বন্দে ভারতের মতো ট্রেনে যাত্রাপথে সাফাই করা হলেও, অন্য দূরপাল্লার ট্রেনে সে সব কিছুই হয় না। সাধারণ শ্রেণির অবস্থা শোচনীয় হয়ে ওঠে যাত্রার সময়ে। রেলমন্ত্রী জানান, আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের পাশাপাশি সাধারণ ট্রেনের জেনারেল কামরা, শৌচাগার নির্দিষ্ট ব্যবধানে পরিষ্কার করা হবে। তাঁর কথায়, ‘‘দূরপাল্লার ট্রেনগুলিতে এত দিন নির্দিষ্ট কিছু স্টেশনে শৌচাগার ও ট্রেনের কামরা সাফাই করা হত। এখন তা নির্দিষ্ট সময়ান্তরে করা হবে। পেশাদার অভিজ্ঞ দলকে ওই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হবে। যারা কামরা, শৌচাগার, ডাস্টবিন, বেসিন ঘণ্টায় ঘণ্টায় সাফ করবেন।’’ প্রাথমিক ভাবে দেশের ৮০টি ট্রেনে ওই সাফাই অভিযান চালানো হবে। পরবর্তী তিন বছরে দেশের সব ট্রেনেই ওই ব্যবস্থা চালু হয়ে যাবে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Indian Railways

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy