শাস্তিটা হল পাক্কা পাঁচ বছর পর।
একেবারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
সেই চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হল, যারা বছর পাঁচেক আগে মুম্বইয়ের রাস্তায় প্রকাশ্য দিবালোকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিল মহিলাদের। আর তাঁদের যে দুই বন্ধু বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন, ওই চার দুষ্কৃতী তাঁদের খুন করেছিল। খুন হওয়া দুই যুবক কিনান সান্তোস ও রুবেন ফার্নান্ডেজ ছিলেন শ্লীলতাহানির শিকার হওয়া মহিলাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
আরও পড়ুন- আইআরসিটিসির সাইট হ্যাক? বিভ্রান্তি তুঙ্গে
২০১১ সালের অক্টোবরের ঘটনা। দুই বান্ধবীকে নিয়ে একটি খানদানি রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন ২৪ বছর বয়সের কিনান আর ২৯ বছরের রুবেন। আন্ধেরির পশ্চিম প্রান্তের মফস্বল এলাকা আম্বোলিতে। খাওয়াদাওয়ার পর দুই বান্ধবীকে নিয়ে কিনান আর রুবেন রেস্তোরাঁ ছেড়ে বেরতেই তাঁদের বান্ধবীর ওপর চড়াও হয় ওই চার দুষ্কৃতী। তারা রাস্তার মধ্যেই ওই দুই মহিলার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। কিনান আর রুবেন তখন বাঁচাতে যান তাঁদের দুই বান্ধবীকে। তাঁরা দুষ্কৃতীদের ওই জায়গা থেকে ভালয় ভালয় সরে পড়তে বলেন। এর পর ওই দুষ্কৃতীরা কিছুটা দূরে চলে যায়। পরে ফিরে আসে দলবল নিয়ে। আর এসেই ঘিরে ফেলে কিনান আর রুবেনকে। তাদের মোবাইল ফোনগুলো কেড়ে নেয়। এর পর প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তায় সকলের সামনেই দলবল নিয়ে ওই দুষ্কৃতীরা কোপাতে শুরু করে কিনান আর রুবেনকে। আর তা দাঁড়িয়ে দেখতে থাকেন পথচারীরা। কেউই এগিয়ে এসে দুষ্কৃতীদের বাধা দেওয়ার সাহস দেখাতে পারেননি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর ওই দিনই মৃত্যু হয় কিনানের। আর তার দশ দিনের মাথায় মারা যান রুবেনও।