Advertisement
E-Paper

স্ত্রী, কন্যা, মা, বাবা সহ ১৪ জনের নলি কেটে আত্মঘাতী যুবক

একই পরিবারের চোদ্দ জনকে খুন করে আত্মঘাতী হল এক ব্যক্তি। নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের ঠাণেতে। রবিবার ভোরে ঠাণের কাসারওয়াদাবলি গ্রামের একটি বাড়ির ভিতর থেকে পনেরো জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে ছয় জন মহিলা এবং সাতটি শিশু আছে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৯:৩১

একই পরিবারের চোদ্দ জনকে খুন করে আত্মঘাতী হল এক ব্যক্তি। নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের ঠাণেতে।
রবিবার ভোরে ঠাণের কাসারওয়াড়া গ্রামের একটি বাড়ির ভিতর থেকে পনেরো জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে ছয় জন মহিলা এবং সাতটি শিশু আছে। এক মহিলাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের পরিবারের ওই চোদ্দ সদস্যকে খুন করে হাসান আনওয়ার ওয়ারেকর নামে বছর পঁয়ত্রিশের এক ব্যক্তি। মৃতদের মধ্যে হাসানের স্ত্রী, মা, বাবা ও সন্তানেরাও রয়েছেন। হাতে ছুরি ধরা অবস্থায় ওই ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, মাদক খাইয়ে মৃতদের অজ্ঞান করে দেওয়ার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের গলা কেটে খুন করে হাসান। তবে কোনও মতে বেঁচে গিয়েছে হাসানের ২২ বছরের বোন সুবাইয়া। তাঁকেও খুন করতে গিয়েছিল হাসান। তবে কোনও মতে বেঁচে যায় সুবাইয়া। তার সারা শরীরে তখন রক্ত গড়াচ্ছে। ওই অবস্থাতেই ছুটতে ছুটতে সুবাইয়া এসে পাড়া-প্রতিবেশীদের সব জানায়। তাঁরাই তখন পুলিশকে ডেকে নিয়ে আসেন। সুবাইয়াকে পরে আশঙ্কাজনক ্অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সুবাইয়া এখনও রয়েছেন হাসপাতালের আইসিইউ-য়ে। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, পেশায় আয়কর পরামর্শদাতা হাসান দীর্ঘ দিন ধরেই ভুগছিলেন মানসিক অবসাদে।

ঠাণের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার আশুতোষ দুমরে বলেন, “আমরা এখনও খুনের সঠিক কারণ জানতে পারিনি। তবে প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, পারিবারিক সম্পত্তিগত বিবাদের কারণে এই খুন। আহত মহিলা সুস্থ হলে তাঁকে জেরা করে আরও অনেক তথ্য সামনে আসবে বলে আশা করছি।”

আরও পড়ুন...

• প্রেমিকার রক্তাক্ত কাটামুণ্ড হাতে ঝুলিয়ে বাঁশবন খুঁজছিল আততায়ী

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy