Advertisement
E-Paper

গায়ে আগুন না কি গলায় দড়ি! ১৫ দিন ধরে নেটে খোঁজখবর নিয়ে আত্মহত্যা ২৫ বছরের যুবকের

পরিবারের দাবি, মধুর যাদব নামে যুবককে খুন করা হয়েছে। তাঁর বাবার দাবি, গায়ে আগুন দেওয়ার পরে গুরুতর জখম অবস্থায় মধুর জানিয়েছিলেন, অভিষেক নামে এক যুবক তাঁর চোখে কিছু একটা স্প্রে করে গায়ে আগুন জ্বালিয়ে দেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:৫৮

— প্রতীকী চিত্র।

গাজ়িয়াবাদে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করলেন ২৫ বছরের এক যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, এই চরম পদক্ষেপ করার আগে প্রায় ১৫ দিন ধরে অনলাইনে সার্চ করেছিলেন আত্মহত্যার উপায়। কী ভাবে কম কষ্ট পেয়ে দ্রুত আত্মহনন করা যায়, সেই নিয়ে খোঁজখবর করেন তিনি। এমনকি, গলায় দড়ি দেওয়া উচিত, না কি গায়ে আগুন, তা নিয়েও অনলাইনে সার্চ করেন তিনি। যদিও পরিবারের দাবি, মধুর যাদব নামে যুবককে খুন করা হয়েছে।

গাজ়িয়াবাদের মোদীনগরে থাকেন মধুর। রাজস্থান হাই কোর্টে স্টেনোগ্রাফারের চাকরি পেয়েছিলেন। সেই নিয়ে প্রশিক্ষণ শেষ করে নিয়োগপত্র হাতে পাওয়ার অপেক্ষা করছিলেন। তাঁর বাবা বিজেন্দ্র যাদব উত্তরপ্রদেশের সেচ বিভাগের কর্মী।

মোদীনগরের এসিপি অমিত সাক্সেনা জানান, শনিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তার পরে ২ কিলোমিটার দূরে ফাঁকা একটি জায়গায় গিয়ে গায়ে পেট্রল ঢালেন। পুলিশ জানিয়েছে, গায়ে আগুন লাগানোর আগে পোশাক খুলে পাশে গুছিয়ে রাখেন তিনি। তাঁকে পুড়তে দেখে থানায় খবর দেন স্থানীয়েরা। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল মধুরের। তবে তাঁর পরিবার বিয়েতে রাজি ছিলেন না। গত দীপাবলির সময়েও নিজের হাতে আগুন দিয়েছিলেন মধুর। দিন কয়েক আগে নিজের মা এবং পরিবারের সদস্যদের মোবাইল নম্বর ব্লক করে রেখেছিলেন।

তবে মধুরের বাবার দাবি, শনিবার রাতে তিনি পুত্রকে ফোন করেছিলেন। তখন মধুর জানিয়েছিলেন, বাড়ি ফিরে আসবেন। কিন্তু তার পর থেকে আর তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি। তাঁর আরও দাবি, গায়ে আগুন দেওয়ার পরে গুরুতর জখম অবস্থায় মধুর জানিয়েছিলেন, অভিষেক নামে এক যুবক তাঁর চোখে কিছু একটা স্প্রে করে গায়ে আগুন জ্বালিয়ে দেন। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মধুরের বাবা।

Suicide
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy