Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৭ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied

দেশ

বাদ গত বারের অর্থমন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী, রেলমন্ত্রী, আরও যে মন্ত্রীরা জায়গা পেলেন না এ বার

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ৩১ মে ২০১৯ ০৯:১৮
ঘড়ির কাঁটায় সন্ধে সাতটা বেজে তিন মিনিট। দ্বিতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়া শুরু করলেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁর সঙ্গে শপথ নিলেন ৫৭ জন মন্ত্রী। যার মধ্যে ২৪ জন শপথ নিলেন পূর্ণ মন্ত্রী হিসাবে। ক্যাবিনেটে এলেন অমিত শাহ। কিন্তু গত বারের বেশ কয়েক জন মন্ত্রীরই ঠাঁই হল না ক্যাবিনেটে। বাদ পড়লেন গত বারের অর্থমন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী, রেলমন্ত্রীরা।

অসুস্থতার কারণে অরুণ জেটলি মন্ত্রী হতে রাজি হলেন না। গত বারের অর্থমন্ত্রী স্বেচ্ছায় দূরে রইলেন মন্ত্রিত্ব থেকে। প্রথম বারের মোদী মন্ত্রিসভায় কয়েক মাস প্রতিরক্ষামন্ত্রকের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।
Advertisement
সুষমা স্বরাজ শারীরিক কারণে ভোটে লড়েননি। তা সত্ত্বেও তাঁকে রাজ্যসভায় এনে মন্ত্রী করার সম্ভাবনার কথা বলছিলেন অনেকে। রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ অনুষ্ঠানে সুষমা দর্শক আসনে উপস্থিত ছিলেন যদিও। গত বারের বিদেশমন্ত্রী এ বার নেই মোদী ক্যাবিনেটে।

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না উমা ভারতীর। জলসম্পদ, নদী উন্নয়ন, গঙ্গা সংক্রান্ত উন্নতির মন্ত্রকের দায়িত্ব ছিল উমার উপরে। পরে পানীয় জল ও নিকাশি দফতরের দায়িত্বে ছিলেন। এ বছরের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেলেন না তিনি।
Advertisement
মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না সুরেশ প্রভুর। মোদীর সরকারে এক সময়ে রেল, পরে শিল্প ও বাণিজ্য এবং অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি৷ তবে এ বার এই পরিচিত নাম নেই মন্ত্রিসভার নয়া তালিকায়৷

মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন না মেনকা গাঁধীও। লোকসভা নির্বাচনের সময় কিছু মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। তিনি ছিলেন নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী৷

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না শিবপ্রতাপ শুক্লের, অর্থ দফতরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি।

এ বারের মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না জুয়েল ওরাঁওয়ের। গত বার আদিবাসী সংক্রান্ত দফতরের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না রাজ্যবর্ধন সিংহ রাঠৌরের। প্রাক্তন অলিম্পিয়ান রাঠৌর গত বার মোদীর সরকারে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন কিছু দিনের জন্য৷

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না অণুপ্রিয়া পটেলেরও। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন অনুপ্রিয়া পটেল৷ ছিটকে গেলেন তিনিও।

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না জে পি নাড্ডার। পরবর্তী বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির পদে জগৎ প্রকাশ নাড্ডার নাম নিয়ে জল্পনা ছিল প্রথম থেকেই৷ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি প্রায় পাঁচ বছর।

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না কে জে আলফন্সের। সংস্কৃতি ও পর্যটন দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি।

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না এস অহলুওয়ালিয়ার। পানীয় জল ও নিকাশি দফতরের দায়িত্বে ছিলেন, পরবর্তীতে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি দফতরও সামলেছেন। এ বার রাজ্য থেকে বিপুল জয়ে তাঁকে মন্ত্রিসভায় আশা করেছিলেন অনেকেই।

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না রাধামোহন সিংহের। গত বারের মন্ত্রিসভায় কৃষিমন্ত্রকে রাধামোহন সিংহ নামটি ছিল একটি চমক৷ মোদীর দ্বিতীয় বারের মন্ত্রিসভার তালিকা থেকে নাম কাটা গিয়েছে তাঁরও৷

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না চৌধরি বীরেন্দ্র সিংহের। গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েত দফতরের মতো মন্ত্রক সামলেছিলেন তিনি প্রায় দু’বছর।

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না বিজয় সাম্পলা-র। সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। কিন্তু এ বছরের মন্ত্রিসভায় মিলল না জায়গা।

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না অনন্ত গীতের। শিবসেনা নেতা অনন্ত গীতে সামলেছিলেন ভারী শিল্প ও পাবলিক এন্টারপ্রাইজের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক।

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না সুভাষ ভামরের। প্রতিরক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না জয়ন্ত সিন‌্হার। প্রাক্তন বিজেপি নেতা যশবন্ত সিন‌্হার ছেলে ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগ লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতেছেন। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের দায়িত্বে গত বার থাকলেও এ বার তিনি মন্ত্রিসভা থেকে ছিটকে গেলেন।

মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না মহেশ শর্মার। সংস্কৃতি দফতরের স্বাধীন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন একটা সময়ে। এ ছাড়াও বনমন্ত্রক, পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন। কিন্তু এ বছরের মন্ত্রিসভায় জায়গা পাননি তিনি।