Advertisement
E-Paper

পহেলগাঁও হামলা: চিন থেকে কেনা গো প্রো ক্যামেরা ব্যবহার করেছিল জঙ্গিরা! তথ্য জানতে বেজিঙের সাহায্য চাইল এনআইএ

তদন্তকারী সূত্রে খবর, ওই হামলার ষড়যন্ত্রে ব্যবহৃত সমস্ত ডিজিটাল ডিভাইস পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। সেগুলির মধ্যে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে সন্দেহ দৃঢ় হয় তদন্তকারীদের। সেটি গো প্রো হিরো ১২ ক্যামেরা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬ ১২:০৩
পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকা। এখানেই জঙ্গি হামলা হয়েছিল। ফাইল চিত্র।

পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকা। এখানেই জঙ্গি হামলা হয়েছিল। ফাইল চিত্র।

জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে হামলার দৃশ্য ধরে রাখতে জঙ্গিরা গো প্রো ক্যামেরা ব্যবহার করেছিল। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র সন্দেহ, সেই গো প্রো ক্যামেরা চিনের এক দোকান থেকে কেনা হয়েছিল। সেই সূত্র ধরে ওই ক্যামেরার তথ্য জানতে এ বার বেজিঙের সাহায্য চাইল এনআইএ। সূত্রের খবর, জম্মু আদালতে একটি চিঠি দেওয়া হয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, হামলার সময় জঙ্গিদের ব্যবহৃত ক্যামেরা চিনের এক ডিস্ট্রিবিউটারের কাছ থেকে কেনা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তার প্রেক্ষিতে এবং তদন্তের স্বার্থে সেই ক্যামেরার তথ্য সংগ্রহে বেজিঙের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।

তদন্তকারী সূত্রে খবর, ওই হামলার ষড়যন্ত্রে ব্যবহৃত সমস্ত ডিজিটাল ডিভাইস পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। সেগুলির মধ্যে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে সন্দেহ দৃঢ় হয় তদন্তকারীদের। সেটি গো প্রো হিরো ১২ ক্যামেরা। ওই ক্যামেরা থেকে হামলার আগে কী কী করা হয়েছিল, কোথায় কোথায় গিয়েছিল জঙ্গিরা, এ রকম বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আদালতে দাবি করে এনআইএ। তার পরই আদালত এনআইএ-র আবেদন মঞ্জুর করে।

তদন্তকারী সূত্রে খবর, জঙ্গিরা যে গো প্রো ক্যামেরা ব্যবহার করেছিল, নেদারল্যান্ডসে সেটির নির্মাণসংস্থার কাছেও তথ্য চাওয়া হয়েছে। কী ভাবে ওই ক্যামেরা জঙ্গিদের হাতে পৌঁছোল, কোন প্রক্রিয়ায় ওই ক্যামেরা সক্রিয় করা হয়েছিল ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর পেতে চান তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, ক্যামেরা নির্মাণকারী সংস্থা গো প্রো বিভি তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা দাবি করেছে, চিনের ‘এ’-‘ই’ গ্রুপ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কাছে ক্যামেরাটি সরবরাহ করা হয়েছিল। চিনের ডংগুয়ানে ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ওই ক্যামেরা সক্রিয় হয়।

নির্মাণকারী সংস্থাটি এটাও দাবি করেছে যে, তার পর ওই ক্যামেরা কাদের হাতে কী ভাবে পৌঁছেছিল, সে সম্পর্কে তাদের কাছে কোনও তথ্য নেই। তাদের দাবি, এই ক্যামেরা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একমাত্র চিন প্রশাসনই দিতে পারবে। নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে এই তথ্য পাওয়ার পরই বেজিঙের সহযোগিতা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার পর আদালতে আবেদন করে এনআইএ। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিলে পহেলগাঁওয়ে হামলা চালায় সশস্ত্র জঙ্গিরা। সেই হামলায় ২৫ জন নিহত হয়েছিলেন। জঙ্গিরা হামলার ঘটনা রেকর্ড করতে গো প্রো ক্যামেরা ব্যবহার করেছিল। এ বার সেই ক্যামেরা সম্পর্কে জানতে তৎপর হল এনআইএ।

NIA
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy