Advertisement
E-Paper

পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে দেশে, মোদীর সংযম বার্তায় আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই! জানাল কেন্দ্রীয় সরকার

সরকার মনে করে, প্রধানমন্ত্রীর সংযমী বার্তাকে বিশ্বব্যাপী তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার সময়ে জ্বালানি সংরক্ষণ এবং দেশের উপর আর্থিক বোঝা কমানোর প্রচেষ্টা হিসাবে দেখা উচিত।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ২১:৪৮
No petrol or diesel shortage, government assures day after Prime Minister’s fuel saving appeal

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

পেট্রল, ডিজ়েল, রান্নার গ্যাস, ভোজ্য তেল— এ ধরনের পণ্য ব্যবহারে দেশবাসীকে সংযমী হওয়ার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার পর থেকেই নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি অদূর ভবিষ্যতে দেশে জ্বালানি সঙ্কট দেখা দেবে? তবে সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আরও এক বার স্পষ্ট জানানো হল, দেশে পেট্রল, ডিজ়েল, এলপিজি বা অপরিশোধিত তেলের কোনও ঘাটতি নেই। অযথা আতঙ্কিত না-হওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে।

পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রকের যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে আধিকারিকেরা জানান, ভারতের কাছে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের প্রভাব ভারতের উপর যাতে কম পড়ে, তা নিশ্চিত করতে সরকার পদক্ষেপ করেছে। পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের যুগ্মসচিব বলেন, ‘‘ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অপরিশোধিত তেল, এলপিজি, পেট্রল, ডিজ়েল রয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ জ্বালানি পশ্চিম এশিয়া থেকে আমদানি করা হয়। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতে যে কোনও ধরনের সঙ্কট এড়াতে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।’’

ওই সচিব আরও বলেন, ‘‘অযথা আতঙ্কিত হয়ে আগেভাগে জ্বালানি কেনার কোনও প্রয়োজন নেই।’’ সরকার মনে করে, প্রধানমন্ত্রীর সংযমী বার্তাকে বিশ্বব্যাপী তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার সময়ে জ্বালানি সংরক্ষণ এবং দেশের উপর আর্থিক বোঝা কমানোর প্রচেষ্টা হিসাবে দেখা উচিত। কোনও ভাবে প্রধানমন্ত্রীর আবেদনকে সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কা হিসাবে বর্ণনা করা অনুচিত।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, শক্তি সংরক্ষণ এবং সরবরাহের যাতে কোনও বিঘ্ন না-ঘটে সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে ভারত বিভিন্ন দেশ থেকে শক্তি কেনার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ভারত শুরু থেকেই শান্তি এবং আলোচনার পক্ষে রয়েছে। বন্দর ও নৌপরিবহণ মন্ত্রকের কর্তারা জানান, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ভারতের ১০টি জাহাজ কোনও শুল্ক না-দিয়ে বিনা বাধায় হরমুজ় প্রণালী অতিক্রম করেছে। আরও ১৩টি পণ্যবাহী জাহাজ রয়েছে হরমুজ়ে। সেগুলিকেও নিরাপদে সরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, রবিবার হায়দরাবাদে এক সরকারি কর্মসূচিতে মোদী বলেন, “বর্তমান সময়ে পেট্রল, ডিজেল, গ্যাস— এ সব জিনিস অত্যন্ত সংযমী হয়ে ব্যবহার করতে হবে। যে সব জ্বালানি পণ্য আমরা বিদেশ থেকে আমদানি করি, সেগুলি যেটুকু প্রয়োজন ততটুকুই ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। এতে বিদেশি মুদ্রারও সাশ্রয় হবে এবং যুদ্ধের সঙ্কটের বিরূপ প্রভাবকেও কমানো যাবে।” তাঁর এই আহ্বান নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। সেই আবহে জ্বালানি ভান্ডার নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত সরকার।

Narendra Modi Fuel Petrol Disel
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy