সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার যুবরাজ মেহতার মৃত্যুর তদন্তে দু’টি নির্মাণ সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ। একটি সংস্থার আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে। সরানো হয়েছে নয়ডা কর্তৃপক্ষের সিইও-কে। তবে এ বার সেই তদন্তকে কেন্দ্র করে লাগতে শুরু করেছে রাজনীতির ছোঁয়া। প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, নয়ডা কর্তৃপক্ষের শীর্ষে থাকা আইএএস অফিসার মেধা রূপমকে কেন তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে না? আলোচনায় আসছে তাঁর ব্যক্তিপরিচয়। তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের মেয়ে।
গত শুক্রবার গভীর রাতে গুরুগ্রামের কর্মস্থল থেকে নয়ডায় বাড়ি ফিরছিলেন যুবরাজ। ঘটনাস্থলে রাস্তার পাশে কোনও ব্যারিকেড বা রিফ্লেকটর ছিল না। ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতাও ছিল খুব কম। যুবরাজের এসইউভি ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে পাশের ৭০ ফিট গভীর গর্তে গিয়ে পড়ে। তার পরেও প্রায় দেড় ঘণ্টা বেঁচেছিলেন তিনি। উপরে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা থাকলেও তাঁকে উদ্ধার করা যায়নি।
আজ লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এক্স-এ লিখেছেন, ‘নগর ব্যবস্থার ভেঙে পড়ার কারণ অর্থ, প্রযুক্তি কিংবা সমাধানের অভাব নয়। দায়বদ্ধতার অভাব’। আপ নেতা তথা দিল্লির প্রাক্তন মন্ত্রী সৌরভ ভরদ্বাজ কয়েক ধাপ এগিয়ে সরাসরি নয়ডার ডিএমের বরখাস্তের দাবি তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, ‘প্রযুক্তিবিদ যুবরাজ মেহতার মর্মান্তিক মৃত্যুতে অপরাধমূলক গাফিলতি স্পষ্ট। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, সেখানে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উপস্থিত ছিল। কিন্তু তারা ঠিক সময়ে ওই যুবককে উদ্ধার করতে পারেনি। ঠান্ডা জলে নামতে ভয় পেয়েছে। তিনি দু’ঘণ্টা সাহায্য চেয়েছেন। উদ্ধার বাহিনী দাঁড়িয়ে দেখেছে। এই ব্যর্থতার জন্য তাদের শীর্ষে থাকা ডিএম মেধা রূপমকে দায়বদ্ধ করতে হবে। তাঁর ইস্তফা এবং তদন্তের দাবি জানাচ্ছি’। অফিসারের পারিবারিক পরিচয়ও উল্লেখ করেছেন ভরদ্বাজ।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)