×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০৮ মে ২০২১ ই-পেপার

সিভিক পুলিশ নিয়োগ কেন, মামলা কোর্টে

নিজস্ব সংবাদদাতা
নয়াদিল্লি ০৩ নভেম্বর ২০২০ ০৪:২২
—ফাইল চিত্র।

—ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ বাহিনীতে শূন্যপদ পড়ে রয়েছে। কিন্তু ইচ্ছাকৃত ভাবে সেই সব শূন্যপদ পূরণ না করে শাসক দলের কর্মীদের সিভিক পুলিশ হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে বলে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল।

মামলায় অভিযোগ, ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে পরিকল্পিত ভাবেই শাসক দলের কর্মীদের সিভিক পুলিশ বা সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে ঠিকা ভিত্তিতে নিয়োগ করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য হল, নাগরিকদের শাসক দলের হয়েই মত প্রকাশ্যে বাধ্য করা। এর মাধ্যমে স্বজনপোষণ চলছে। কিন্তু রাজ্য সরকারি ভর্তি প্রক্রিয়া মেনে পুলিশের শূন্যপদ পূরণে পদক্ষেপ করছে না। মামলাকারী আইনজীবী আবু সোহেলের আশা, চলতি সপ্তাহেই সুপ্রিম কোর্টে এর শুনানি হবে।

সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় সোহেল অভিযোগ তুলেছেন, তিন বছর আগে ২০১৭-য় পশ্চিমবঙ্গ সরকার সুপ্রিম কোর্টে আশ্বাস দিয়েছিল, রাজ্য পুলিশের ৩৭ হাজার শূন্যপদ পূরণ করা হবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কিছুই হয়নি। সুপ্রিম কোর্টও তার নির্দেশে বলেছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শূন্যপদ পূরণ করা না হলে নিয়োগের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশকর্তা ও স্বরাষ্ট্র দফতরের কর্তাদের ব্যক্তিগত ভাবে দায়ী করা হবে।

Advertisement

আরও পড়ুন: বিহারে দ্বিতীয় দফার ভোট মঙ্গলবার, ৯৪ আসনে লড়াই​

আরও পড়ুন: অরুণাচল সীমান্ত পর্যন্ত রেল প্রকল্প ঘোষণা চিনের, নজর রাখছে দিল্লি​

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি যখন আইন-শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে অভিযোগ তুলেছে, তখন এই মামলা নিয়ে রাজনৈতিক শিবিরেও জল্পনা শুরু হয়েছে। মামলাকারী আইনজীবী আবু সোহেল তাঁর পিটিশনে অভিযোগ তুলেছেন, ‘২০২১-এর মাঝামাঝি সময়ে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতেই পুলিশে সরাসরি নিয়োগ না করে সিভিক পুলিশ নিয়োগ করা হচ্ছে। রাজ্য প্রশাসন পুলিশ প্রশাসনের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে চাইছে।’’ তাঁর যুক্তি, যথেষ্ট সংখ্যক পুলিশকর্মীর অভাবেই রাজ্যে শান্তি বজায় রাখা যাচ্ছে না। হিংসা বেড়েই চলেছে।

জনস্বার্থ মামলা অনুযায়ী, রাজ্যের পুলিশবাহিনীতে এখন প্রায় ৪০ হাজার শূন্যপদ রয়েছে। মামলাকারীর আর্জি, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যকে আইন মেনে পুলিশ কর্মী নিয়োগ করতে নির্দেশ দিক। একই সঙ্গে পুলিশের সহায়তার জন্য সিভিক পুলিশ নিয়োগ করতে রাজ্য প্রশাসনকে বারণ করা হোক।

Advertisement