Advertisement
E-Paper

তিন বোনের ঝাঁপ: তৃতীয় স্ত্রীকে প্রথমে শ্যালিকা বলে পরিচয় দেন চেতন! কেন তথ্যগোপনের চেষ্টা? আরও বাড়ছে রহস্য

চেতন জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে জানান, ২০১০ সালে তাঁর বিয়ে হয়েছিল সুজাতার সঙ্গে। পরে ২০১৩ সালে হিনা নামে এক মহিলাকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু তৃতীয় স্ত্রীর কথা শুরুতে গোপন করে যান চেতন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৪১

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

গাজ়িয়াবাদকাণ্ডের তদন্তে আরও নতুন তথ্য উঠে আসছে পুলিশের হাতে। বিশেষ করে তিন বোনের বাবা চেতন কুমারের বয়ান ঘিরে সন্দেহ জাগছে পুলিশের। সূত্রের খবর, বার বার বয়ান বদল করছেন তিনি। তৃতীয় বিয়ের বিষয়টিও প্রথমে আড়াল করার চেষ্টা করেন তিনি। কেন, সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

চেতনকে জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে পুলিশ জানতে পারে, টিনা নামে এক তরুণীর সঙ্গে তৃতীয় বিয়ে হয় তাঁর। ২০১৮ সালে টিনার সঙ্গে প্রথম আলাপ হয় চেতনের। ওই সময়ে গাজ়িয়াবাদে ক্রেডিট কার্ড পরিষেবা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, সেই কাজের সূত্র ধরেই টিনার সঙ্গে তাঁর আলাপ। পরবর্তী সময়ে দু’জনের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায় এবং তাঁরা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, টিনার বয়স আনুমানিক ২২ বছর। তাঁর তিন বছরের এক কন্যাও রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু জানা যাচ্ছে, এই টিনার বিষয়ে প্রথমে তথ্যগোপন করেছিলেন চেতন। টিনাকে নিজের স্ত্রী বলে তিনি প্রথমে পরিচয় দেননি পুলিশের কাছে। চেতন প্রথমে পুলিশকে বলেছিলেন, টিনা তাঁর শ্যালিকা। কেন তিনি এই তথ্যগোপন করলেন, তা-ও জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রের দাবি, চেতন জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে জানিয়েছেন ২০১০ সালে তাঁর প্রথম বিয়ে হয়েছিল সুজাতার সঙ্গে। পরবর্তী সময়ে ২০১৩ সালে আবার হিনা নামে এক জন মহিলাকে বিয়ে করেন তিনি। এই সব তথ্যগুলিই যাচাই করে দেখছে পুলিশ। গাজ়িয়াবাদের বহুতলে তিন বেডরুমের একটি ফ্ল্যাটে থাকেন চেতনেরা। কিন্তু গোটা পরিবার একটিই ঘরে ঘুমোত বলে জানা যাচ্ছে। তা হলে এত রাতে তিন বোন কী ভাবে ঘর থেকে বেরোতে পারল? সেই প্রশ্নেরও উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

গাজ়িয়াবাদের ওই ঘটনা চেতনের বয়ান ঘিরে ক্রমে সন্দেহ বৃদ্ধি পাচ্ছে পুলিশের। যদিও চেতনের দাবি, কন্যারা তাঁর চোখের মণি ছিল। অত্যন্ত আদর যত্নে তিন জনকেই মানুষ করেছেন। কিন্তু তারা যে এই কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলবে ভাবতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘‘ওরা কোরীয় সংস্কৃতিতে আকৃষ্ট হয়ে পড়েছিল। কোরীয় রীতিনীতি, গান, নাটক, ছবি এমনকি গেমে এমন ভাবে আসক্ত হয়ে পড়েছিল যে সব সময় ফোনেই মুখ গুঁজে পড়ে থাকত।’’ তবে শুধুই কোরীয় গেম খেলার নেশায় তিন বোন এই কাণ্ড ঘটাল, না কি নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ বলেই মনে করছে পুলিশ।

Ghaziabad
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy