কয়েক দিন ধরেই জ্বলছে হরিয়ানা। তবু এই চাপের মধ্যেও জাঠেদের সংরক্ষণ নিয়ে অঙ্ক কষছেন নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহেরা। ভোটব্যাঙ্কের কথা মাথায় রেখেই জাঠেদের পাকাপোক্ত ভাবে সংরক্ষণের আওতায় নিয়ে আসতে চান তাঁরা। লক্ষ্য, পরের বছর উত্তরপ্রদেশের ভোটে ফায়দা তোলা।
বিজেপির শীর্ষ সূত্রের মতে, জাঠেদের সংরক্ষণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের সবিস্তার আলোচনা হয়েছে। রাজনাথ সিংহও আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে স্থির হয়েছে, শুধুমাত্র চলতি অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য শুকনো প্রতিশ্রুতি নয়। হরিয়ানায় জাঠেদের অনগ্রসর শ্রেণির আওতায় আনতে পাকাপোক্ত ব্যবস্থা করতে হবে।
শুধু রাজ্যেই নয়, কেন্দ্রীয় তালিকাতেও জাঠেদের সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। মোদী সরকারের শীর্ষ মন্ত্রীরা মনে করছেন, এই বিষয়টি সুনিশ্চিত করা গেলে পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে জাঠেদের কাছে সদর্থক বার্তা যাবে। আর তিন বছর পর হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনেও তাদের পাশে পাওয়া যাবে। এই লক্ষ্য নিয়েই গত কাল অমিত শাহ মোদী সরকারের মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নায়ডুর অধীনে একটি কমিটি গঠন করেছেন। যার উদ্দেশ্যই হল, হরিয়ানায় জাঠেদের সংরক্ষণ দেওয়ার পথে যা বাধা রয়েছে, সেগুলি কী করে দূর করা যায়, সে সব খতিয়ে দেখা।
কাল থেকেই শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। এ বারের অধিবেশনেও হইচইয়ের আশঙ্কা বিস্তর। কিন্তু বিজেপি নেতৃত্ব জানেন, কংগ্রেসের পক্ষে এই প্রশ্নে খুব বেশি আক্রমণের সুযোগ নেই। কারণ, তারাই একসময়ে জাঠেদের জন্য সংরক্ষণে উদ্যোগী হয়েছিল।