লাঠি দিয়ে কয়েক জনকে পেটাচ্ছেন দুই পুলিশকর্মী। একের পর এক লাঠির ঘা পড়ছিল তাঁদের পা, কোমরে। আর পরিত্রাহী চিৎকার করছিলেন তাঁরা। এমনই একটি ভিডিয়ো টুইট করেছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। ভিডিয়ো পোস্ট করে উত্তরপ্রদেশে লকআপে বন্দি মৃত্যুর প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন তিনি। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার অনলাইন।
দাবি করা হচ্ছে, ভিডিয়োটি উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের কোতওয়ালি থানার। যাঁদের পেটানো হচ্ছে তাঁরা বিক্ষোভকারী। তাঁদের বিরুদ্ধে পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই ভিডিয়ো পোস্ট করে অখিলেশ টুইট করেন, ‘লকআপে এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হওয়া উচিত। না হলে ন্যায়বিচার পাবে না ইকবালরা।’ রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অখিলেশ।
उठने चाहिए ऐसी हवालात पर सवालात
— Akhilesh Yadav (@yadavakhilesh) June 11, 2022
नहीं तो इंसाफ़ खो देगा अपना इक़बाल
- यूपी हिरासत में मौतों के मामले में न. 1
- यूपी मानवाधिकार हनन में अव्वल
- यूपी दलित उत्पीड़न में सबसे आगे pic.twitter.com/BCGn93LO49
আরও পড়ুন:
তিনি টুইট করেন, ‘লকআপে বন্দি মৃত্যুর ঘটনায় উত্তরপ্রদেশ শীর্ষে। মানবাধিকার লঙ্ঘনে এক নম্বরে। দলিত নিপীড়নেও শীর্ষে।’ ভিডিয়োটি ভাইরাল হওয়ার পরে সাহারানপুরের এসএসপি আকাশ তোমর দাবি করেছেন, এটি সাহারানপুরের ঘটনা নয়। তাঁর কথায়, “ভিডিয়োটি দেখিনি। তবে আমার জেলায় এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি। জানিও না এই ঘটনা কোথাকার। কী কারণে এই ঘটনা তা-ও জানা নেই। তবে এই ঘটনা কোথাকার তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও পুলিশকর্মী দোষী প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিজেপির নিলম্বিত (সাসপেন্ড) মুখপাত্র নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে উত্তরপ্রদেশের নানা জায়গায় বিক্ষোভ চলছে। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি হয়েছে বেশ কয়েকটি জায়গায়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে মোট ২২৫ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।