প্রিয়ঙ্কা গাঁধী চেষ্টা করেছিলেন। পারেননি। তাঁকে প্রথমে আটক করে রেখে তার পর গ্রেফতার করা হয়। এ বার কংগ্রেস নেতা রাহুল গাঁধীকেও লখিমপুর যাওয়ার অনুমতি দিল না উত্তরপ্রদেশ সরকার।
সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে কংগ্রেসের তরফে চিঠি দিয়ে লখিমপুর যাওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, রাহুলের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল লখিমপুর যেতে চায়। প্রিয়ঙ্কাকে কেন জোর করে আটকে রাখা হয়েছে সেই প্রশ্নও তোলা হয় চিঠিতে। যদিও কংগ্রেসকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। বলা হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
রবিবার সংঘর্ষের ঘটনায় আট জনের মৃত্যুর পরে লখিমপুর খেরির উদ্দেশে রওনা দেন প্রিয়ঙ্কা। কিন্তু পথে সীতাপুরে তাঁর কনভয় আটকে তাঁকে যোগীরাজ্যের পুলিশ আটক করে। প্রিয়ঙ্কাকে শারীরিক নিগ্রহ করা হয় বলেও অভিযোগ করে কংগ্রেস। তাঁর হাতে হাতকড়া পরানো হয়। প্রিয়ঙ্কার কনভয় আটকানোর পরে পুলিশের সঙ্গে তিনি বিতণ্ডায় জড়ান।
সীতাপুরে একটি গেস্ট হাউসে আটক করে রাখা হয় প্রিয়ঙ্কাকে। সেখান থেকেই মঙ্গলবার সকালে টুইটারে একটি ভিডিয়ো বার্তায় মোদী সরকারকে আক্রমণ করেন প্রিয়ঙ্কা। তিনি বলেন, ‘‘মোদীজি, কোনও রকম নির্দেশ ছাড়াই আপনার সরকার আমাকে ২৮ ঘণ্টা ধরে আটক করে রেখেছে। অথচ যে অন্নদাতাদের পিষে দিল সে এখনও বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আপনার সরকার তাকে ধরছে না। কেন?’’ যত দিন না কৃষকরা ন্যায় বিচার পাচ্ছেন তত দিন তাঁদের আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি। তার পরেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানায়, গ্রেফতার করা হয়েছে কংগ্রেস নেত্রীকে।