ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হানায় ক্ষতিগ্রস্ত হল কুয়েত বিমানবন্দর। এই হামলায় অন্তত ৬৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সে দেশের প্রশাসন। নিহত হয়েছেন এক ভারতীয়।
কুয়েত প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ইরানের ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হানায় সে দেশের বিমানবন্দর এবং দূতাবাসগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুয়েত বিমানবন্দরে হামলার পরেই বিমান চলাচল সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার থেকেই হরমুজ় প্রণালী সংলগ্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে আমেরিকা। তাদের অভিযোগ, মার্কিন নৌ অবরোধকে ভেঙে একটি ট্যাঙ্কার হরমুজ় ধরে এগোনোর চেষ্টা করেছিল। তা আটকাতেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে আমেরিকা। ইরানের হামলা প্রতিহত করতে ইরানের কাশেম দ্বীপেও হানা দেয় তারা। জোড়া হামলার বদলা নিতে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড (আইআরজিসি) বাহরিনের আমেরিকার পঞ্চম নৌবহরে হামলা চালায়। যদিও এমন কোনও হামলার কথা অস্বীকার করেছে মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড।
আরও পড়ুন:
বাহরিনে হামলার পরেই কুয়েতে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। আহত হন বিমানবন্দরের কর্মী এবং যাত্রীরা। কুয়েতের বিদেশ মন্ত্রক ইরানের এই হামলার নিন্দা করেছে। বিবৃতি দিয়ে হামলার নিন্দা করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও। বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কুয়েত বিমানবন্দরে হামলার কারণে এক ভারতীয় মারা গিয়েছেন। এবং আমাদের অনেক নাগরিক আহত হয়েছেন। আমরা এই হামলার নিন্দা করছি।” নয়াদিল্লির তরফে এ-ও জানানো হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে তারা বার বার সাধারণ নাগরিকদের উপর হামলা না-চালানোর অনুরোধ করেছে। ভারতের তরফে ফের সেই অনুরোধ করা হয়েছে।