দিল্লির এক তরুণীকে মারধর এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল ওড়িশার এক গ্রামে। তরুণী এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হয়ে কাজ করতেন। তরুণী এবং তাঁর সহকর্মীকে ‘অপহরণকারী’ ভেবে ভুল করেন গ্রামবাসীরা। তা থেকেই গোলমালের সূত্রপাত। তরুণীর সঙ্গে থাকা পুরুষ সহকর্মীকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় ইতিমধ্যে ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার। অভিযুক্ত ২০ জনের গ্রেফতারির পর শনিবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ওই দিন ওড়িশার রায়গড় জেলার এক গ্রামে যান তরুণী এবং তাঁর সহকর্মী। তরুণীর বাড়ি দিল্লিতে। তাঁর সহকর্মী গুজরাতের বাসিন্দা। তাঁরা গ্রামে পৌঁছোনোর পরে এলাকাবাসীরা তাঁদের অপহরণকারী বলে সন্দেহ করেন। তা থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
রায়গড়ের পুলিশ সুপার রাজ প্রসাদ বলেন, “ওই দু’জন যখন স্কুটারে করে এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন সেখানে শিশু অপহরণকারী রয়েছে বলে একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় স্থানীয় কিছু লোক মোটরসাইকেল নিয়ে তাঁদের ধাওয়া করে। রাত প্রায় সাড়ে ৮টার দিকে একটি মাঠের কাছে তাঁদের স্কুটার উল্টে গেলে, উত্তেজিত জনতা ওই দু’জনের উপর চড়াও হয়। তরুণীকে বিবস্ত্র করে তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ।”
আরও পড়ুন:
পরবর্তী সময়ে স্থানীয় থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান তরুণী। এ বিষয়ে রায়গড়ের পুলিশ সুপার জানান, ওই দিনের ঘটনায় মোট তিনটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাতে এখনও পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদেরও খোঁজ চলছে বলে জানান পুলিশ সুপার।