Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ ই-পেপার

Information Technology rule: সিগন্যালের নিশানা

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ২১ জুলাই ২০২১ ০৭:৫১
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

স্মার্টফোনে নজরদারির স্পাইওয়্যার পেগাসাসের হানাদারি নিয়ে আঙুল উঠেছে মোদী সরকারের দিকে। এই সময়েই সরকারের নয়া তথ্য-প্রযুক্তি বিধি নিয়ে প্রশ্ন তুলল বার্তা-অ্যাপ সিগন্যাল। এক টুইটে তারা লিখেছে, “মনে হচ্ছে, ভারত সরকার বিরোধী রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, ও সমাজকর্মীদের উপরে গোপনে নজরদারি চালিয়ে আসছে। লক্ষণীয় সমাপতন, এই সরকার ইদানীং এনক্রিপশনকে দুর্বল করার আইনের পক্ষে সওয়াল করে যাচ্ছে।” টুইটের সঙ্গে একটি খবরের লিঙ্কও জুড়েছে সিগন্যাল। যার শিরোনাম, ‘নরেন্দ্র মোদী
সরকারের নজরদারির সম্ভাব্য নিশানার মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গাঁধী।’

ভারতে নতুন চালু হওয়া তথ্য-প্রযুক্তি বিধি অনুসারে, সরকার চাইলে কোনও বার্তার উৎস জানাতে বাধ্য সামাজিক মাধ্যম ও বার্তা-অ্যাপ সংস্থাগুলি। হোয়াটসঅ্যাপ, সিগন্যালের মতো অ্যাপে বার্তাকে সঙ্কেতে পরিণত করা (এনক্রিপশন) হয়, যাতে প্রেরক ও প্রাপক ছাড়া মাঝে অন্য কেউ সেটির বিষয়বস্তু জানতে না-পারে। বার্তার উৎস জানাতে হলে, এই এনক্রিপশনের মাত্রা শিথিল করতে হবে। যা নিয়ে আগে থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে সামাজিক মাধ্যম ও বার্তা-অ্যাপের প্ল্যাটফর্মগুলি। হোয়াটসঅ্যাপ ওই বিধির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছে দিল্লি হাই কোর্টে।

তবে পেগাসাস প্রসঙ্গে কম অস্বস্তিতে নয় হোয়াটসঅ্যাপও। কারণ, অভিযোগ, ইজরায়েলি সংস্থা এনএসও-র তৈরি পেগাসাস বিপুল সংখ্যক ফোনে বাসা বেঁধেছে হোয়াটসঅ্যাপেরই মাধ্যমে। ব্যবহারকারীর সংখ্যায় ও বাণিজ্যে তাদের চেয়ে পিছিয়ে থাকা সিগন্যাল এই সময়টিকেই বেছে নিয়েছে এক তিরে দুই নিশানাকে গাঁথার জন্য।

Advertisement

প্রতিযোগী হোয়াটসঅ্যাপ যখন অস্বস্তিতে, সেই সময়ে সিগন্যাল এই বার্তাটি জোরালো ভাবে তুলে ধরতে চাইছে যে গ্রাহকের বার্তা তারা বেশি সুরক্ষিত রাখে। দ্বিতীয় বার্তাটি হল, তারাও বার্তার গোপনীয়তাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয় এবং এনক্রিপশনের মাত্রা শিথিল বা দুর্বল করতে চায় না। যে কারণে সরকারের তথ্য-প্রযুক্তি বিধি ও প্রস্তাবিত আইনের বিরুদ্ধে সওয়াল করতে অন্যদের থেকে পিছপা নয় তারা।

আরও পড়ুন

More from My Kolkata
Advertisement