×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০৮ মে ২০২১ ই-পেপার

দেশ

অটলবিহারী বাজপেয়ীর জীবনের কিছু অচেনা মুহূর্ত

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৬ অগস্ট ২০১৮ ১৯:৫৭
কেউ বলেছেন অজাতশত্রু, কেউ বা ভারতীয় রাজনীতির ভীষ্ম পিতামহ। সমাজের সর্বত্র ছিল তাঁর অবাধ চলাফেরা। দেখে নেওয়া যাক, তাঁর সেই দীর্ঘ জীবনের কিছু অচেনা ছবি।

৬ জুলাই, ২০০০। কলকাতা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীকে স্বাগত জানাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন উপ-মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। হাজির রাজ্যপাল বীরেন জে শাহ-ও।
Advertisement
৬ জুলাই, ২০০০। রাজনীতিতে কখনও তাঁরা বিরোধী, কখনও মিত্রশক্তি। কিন্তু রাজনীতির বাইরে তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল অটুট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা গায়ত্রীদেবীর অসুস্থতার খবর পেয়ে কালীঘাটে এসেছিলেন বাজপেয়ী।

জুলাই,  ২০০১। কারগিল যুদ্ধের আঘাত সামলে ফের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির কূটনৈতিক প্রয়াস। আগ্রা বৈঠকে পাক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশারফের সঙ্গে।
Advertisement
ডিসেম্বর, ২০০৯।  ৮৫ তম জন্মদিনে প্রাক্তনকে উত্তরসূরীর শুভেচ্ছা। অটলবিহারী বাজপেয়ীকে ভারতীয় রাজনীতির 'ভীষ্ম পিতামহ' বলেছিলেন মনমোহনই।

ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২। রাজনৈতিক জীবনের রাস্তা বেশির ভাগ সময়ই আলাদা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় একসঙ্গে কাজ করা অথবা ব্যক্তিগত সম্পর্কে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি রাজনীতি। মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সঙ্গে বিজেপির শীর্ষনেতা অটলবিহারী বাজপেয়ী।

২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল করতে অনেক আশা নিয়ে হয়েছিল লাহৌর বৈঠক। দুই দেশের মধ্যে চালু হয় বাস পরিষেবা। লাহৌরে তৎকালীন পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে।

১১ অক্টোবর, ২০০২। প্রধানমন্ত্রীকে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন পাক অধিয়ানক ওয়াসিম আক্রম। উপস্থিত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত।

অক্টোবর, ২০০২ । সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, হরভজন সিংহ ও ভারতীয় দলের কোচ অংশুমান গায়কোয়াড়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী।

২০ জানুয়ারি, ২০০০। কলকাতায় সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট-এর উদ্বোধনে। হাজির পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল বীরেন জে শাহ-ও।

২৩ মার্চ, ১৯৯৯। ক্রীড়া ও সংস্কৃতি জগতে স্বচ্ছন্দ চলাফেরা ছিল কবি অটলবিহারী বাজপেয়ীর। জাতীয় পুরস্কার প্রদানের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লতা মঙ্গেশকর, সচিন তেন্ডুলকর ও  জাভেদ আখতার।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৮। মালদহে জনসভায় বক্তব্য রাখছেন অটলবিহারী বাজপেয়ী।

মে, ১৯৯৮। রাজস্থানের পোখরানে পরীক্ষামূলক পরমাণু বিস্ফোরণ সফল হওয়ার পর। সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজ, বিজ্ঞানী আব্দুল কালাম।

ত্রিমূর্তি। অটলবিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আডবাণী ও মুরলীমনোহর যোশী। ব্রিগেডে জনসভায়।

১৯৮৮। লোকসভা নির্বাচনে ভি পি সিংহ নেতৃত্বাধীন জোটের জয়ের পর ব্রিগেডে বিজয় সমাবেশে জ্যোতি বসু ও অটলবিহারী বাজপেয়ী।

২৬ মে, ২০০৫। দুজনেই তখন প্রাক্তন, তবে সৌজন্য সাক্ষাতে কোনও বাধা ছিল না। নয়াদিল্লিতে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে প্রাক্তন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী।

Tags: অটলবিহারী বাজপেয়ী