শ্রীনগরের রাস্তায় দুরন্ত গতিতে ছুটছিল গাড়ি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেই গাড়ি একটি ট্রাকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় গাড়িতে সওয়ার দু’জনের। গাড়িটি চালাচ্ছিল এক স্কুলপড়ুয়া। তাতে সওয়ার ছিল তারই ক্লাসের বন্ধুরা। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠছে, কী ভাবে ওই কিশোর গাড়ি চালানোর অনুমতি পেল? পুলিশ প্রশাসন আঙুল তুলেছে তার অভিভাবকের দিকে।
বৃহস্পতিবার শ্রীনগর-বারামুল্লা জাতীয় সড়ক ধরে ছুটছিল এসইউভি। চালাচ্ছিল এক কিশোর। তেঙ্গপোরায় সেটি ধাক্কা দেয় একটি ট্রাকে। মৃত্যু হয় চালক হামাদ এবং আসিম সোফির। দু’জনেরই বয়স ১৭ বছর। গাড়িতে সওয়ার আরও দুই কিশোর আহত। তাঁদের মধ্যে এক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আরও পড়ুন:
এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। তার পরেই তিনি অপ্রাপ্তবয়স্কদের গাড়ি চালানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এক্স (সাবেক টুইটার)-এ তিনি লেখেন, ‘‘আমাদের সড়ক নিয়ে জ্ঞানের কোনও উন্নতি হল না।’’ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে সন্তানদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দিতে অভিভাবকদের বারণ করেছেন শ্রীনগর পুলিশের সিনিয়র সুপার (ট্র্যাফিক) মুজফ্ফর শাহ। তিনি বলেন, ‘‘ওই কিশোরদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া না হলে আজ এই ঘটনা হত না।’’