Advertisement
E-Paper

পবন খেরার আগাম জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আর্জি সুপ্রিম কোর্টে খারিজ! ‘আমি কি দাগি আসামি?’ প্রশ্ন কংগ্রেস নেতার

শীর্ষ আদালতে খেরার আবেদন ছিল, তাঁর জামিনের মেয়াদ মঙ্গলবার পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হোক। কারণ, বর্তমানে অসমের আদালতগুলি বন্ধ রয়েছে। আদালত খুললেই তিনি সেখানে আবেদন করবেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:১৪
Supreme Court declines Congress leader Pawan Khera\\\\\\\\\\\\\\\'s plea to extend transit anticipatory bail

কংগ্রেস নেতা পবন খেরা। — ফাইল চিত্র।

কংগ্রেস নেতা পবন খেরার অন্তর্বর্তী ট্রানজ়িট জামিন আগেই খারিজ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই নির্দেশের পর পবন আবার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন। তাঁর আবেদন ছিল, জামিনের মেয়াদ অন্তত আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হোক। কেন তিনি এই আবেদন করছেন, তার পক্ষে যুক্তিও দিয়েছিলেন। কিন্তু তা ধোপে টিকল না। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী রিণিকি ভুইয়াঁর দায়ের করার মানহানি মামলায় পবনের আবেদন খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত।

শীর্ষ আদালতে খেরার আবেদন ছিল, তাঁর জামিনের মেয়াদ মঙ্গলবার পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হোক। কারণ, বর্তমানে অসমের আদালতগুলি বন্ধ রয়েছে। আদালত খুললেই তিনি সেখানে আবেদন করবেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, আগাম জামিনের আবেদন অবিলম্বে অসমের সংশ্লিষ্ট আদালতে করতে হবে। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, অসম আদালতই নথি এবং তথ্য বিচার করে স্বাধীন ভাবে নির্দেশ দেবে। সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী কোনও পর্যবেক্ষণ দ্বারা প্রভাবিত হবে না।

পবনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তাঁর মাধ্যমে আদালতে পবনের প্রশ্ন, ‘‘আমি কি দাগি অপরাধী, যে এই টুকু সুবিধা পাব না?’’ অভিষেক আরও জানান, তাঁর মক্কেলের দাখিল করা নথিতে কিছু ভুল ছিল। সেই কারণে তেলঙ্গানা হাই কোর্টের দেওয়া আগাম জামিন খারিজ করে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। পবনের কথায়, ‘‘তেলঙ্গানা আদালতে আবেদনটি তাড়াহুড়ো করে করা হয়েছিল। তবে সওয়াল-জবাবের সময় বিষয়টি তুলে ধরা হয়। পরে সঠিক নথিও দাখিল করা হয়েছিল।’’ পবনের আইনজীবীর দাবি, তাঁরা কোনও জালিয়াতি করেননি। ওটা প্রকৃতই ভুল ছিল। ওই ‘ছোট্ট ভুলের’ জন্য ব্যক্তিগত স্বাধীনতা খর্ব করা উচিত নয়।

Advertisement

বিতর্কের সূত্রপাত পবনের করা এক মন্তব্য থেকে। গত রবিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে কংগ্রেসের জনসংযোগ দফতরের চেয়ারম্যান অভিযোগ তুলেছিলেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রী স্ত্রীর তিনটি বিদেশি পাসপোর্ট, দুবাইয়ে সম্পত্তি ও আমেরিকায় কোম্পানিতে বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই রিণিকি মানহানি মামলা করেন।

তার পরেই পবন তেলঙ্গানা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। গত ১০ এপ্রিল তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে এক সপ্তাহের ট্রানজ়িট জামিন মঞ্জুর করে তেলঙ্গানার উচ্চ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় অসম সরকার। তাদের যুক্তি ছিল, অসমের আদালতে আবেদন না-করে তেলঙ্গানায় আবেদনের কোনও যৌক্তিকতা ছিল না। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট তেলঙ্গানা হাই কোর্টের আবেদনের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।

Pawan Khera Supreme Court
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy